FCRA Bill 2026: মেপে পা ফেলছে কেন্দ্র, ডিলিমিটেশন-মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ হলেই ঝুলি থেকে বেরবে আরেক বিল?
Centre Bill in Parliament: সব রাজ্যে যদি ৫০ শতাংশ হারে আসন বৃদ্ধি প্রস্তাবে নিশ্চয়তা পেলে, আসন পুনর্ববিন্যাস বিলকে সমর্থন করবে ডিএমকে এবং শরদ পওয়ারের এনসিপি দল। অন্যদিকে বিদেশি অনুদান (FCRA) বিল নিয়ে চার্চ এবং খ্রিস্টান সংগঠনের দাবিকে সমর্থন করছেন এমকে স্ট্যালিন এবং শরদ পওয়ার।

নয়া দিল্লি: সংসদে মেপে পা ফেলছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধীদের শিবিরে ধরেছে ভাঙন। সেই সুযোগ নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, এমনটাই সূত্রের খবর। এর মধ্যে যে বিল নিয়ে এখন তুমুল আলোচনা, তা হল বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইন ( Foreign Contribution Regulation Act)। আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন এবং মহিলা সংরক্ষণ বিলের প্রতি সম্ভাব্য সমর্থনের অঙ্ক কষেই ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট নিয়ে মেপে পা ফেলছে সরকার।
বাদল অধিবেশনের আগেই, গত এপ্রিল মাসে বিশেষ অধিবেশন ডেকে কেন্দ্রীয় সরকার ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিলের সপক্ষে ভোট কম পড়ায় সেই বিল পাশ হয়নি। এবার ফের একবার আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ বিল, যা সংবিধান সংশোধনীরই অংশ, তা পাশ করানোর চেষ্টা করা হবে।
FCRA বিল পেশ হবে?
পাশাপাশি চলতি অধিবেশনে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (Foreign Contribution (Regulation) Act)-এর সংশোধনী বিল পেশ করা হবে কি না, তা নিয়ে আজ বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির (Business advisory committee) বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
লোকসভার বিজনেস তালিকা অনুযায়ী, আজ চারটি বিল আলোচনার এবং অনুমোদনের জন্য তালিকাভুক্ত আছে। এর মধ্যে নেই এফসিআরএ (FCRA) বিল।
এনসিপি-ডিএমকে চটবে!
সব রাজ্যে যদি ৫০ শতাংশ হারে আসন বৃদ্ধি প্রস্তাবে নিশ্চয়তা পেলে, আসন পুনর্ববিন্যাস বিলকে সমর্থন করবে ডিএমকে এবং শরদ পওয়ারের এনসিপি দল। অন্যদিকে বিদেশি অনুদান (FCRA) বিল নিয়ে চার্চ এবং খ্রিস্টান সংগঠনের দাবিকে সমর্থন করছেন এমকে স্ট্যালিন এবং শরদ পওয়ার। অর্থাৎ হয় এই বিলকে প্রত্যাহার করতে হবে অথবা যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য পাঠাতে হবে।
শুধুমাত্র সংখ্যার জোরে এফসিআরএ (FCRA) বিল পাস করিয়ে, ডিএমকে এবং এনসিপিকে চটানো উচিত হবে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে সরকার।
এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে খ্রিস্টান প্রতিনিধিদের তরফে জানানো হয়েছে যে সরকার প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী কোনও সংস্থার এফসিআরএ (FCRA) লাইসেন্স বাতিল হলে বা রিনিউ না হলে, সংস্থার কর্তৃত্ব নিজের হাতে নিয়ে নেবে সরকার। এই বিল পাশ হলে, অর্থের অভাবে বিভিন্ন সংস্থার সমাজসেবামূলক কাজ ব্যাহত হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, আজ সকাল ১০টায় বৈঠকে বসছে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা। এই বৈঠকেই এফসিআরএ (FCRA) বিল নিয়ে বিরোধীদের রণকৌশল ঠিক করা হবে।
