Poshan Maah: সেপ্টেম্বর জুড়ে বিশেষ উদ্যোগ কেন্দ্রের, ‘পোষণ মাসে’ কী কী বিষয়ে নজর
মূলত কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। খাদ্যাভ্যাসে বৈচিত্র্য আনা। পর্যাপ্ত প্রোটিন দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে। টাটকা ও পুষ্টিকর খাবার। পরিচ্ছন্নতা এবং মান নিশ্চিত করা। শিশুর খাদ্যাভ্যাস ও শেখার ক্ষমতার মধ্যে যে গভীর সম্পর্ক আছে, তার গুরুত্ব বোঝানো।

নয়া দিল্লি: সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে চলবে পোষন অভিযান। অপুষ্টিজনিত সমস্যা সমাধানের জন্য এটি ভারত সরকারের একটি উদ্যোগ। ২০২১-২২ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে এই উদ্যোগকে ‘মিশন পোষণ ২.০’ -এক অধীনে আনা হয়। নারী ও শিশু বিকাশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এই জাতীয় পুষ্টি মিশনটি মূলত তিনটি প্রধান প্রকল্পকে একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে এসেছে:
প্রযুক্তিভিত্তিক নজরদারি, অঙ্গনওয়াড়ি পরিষেবা, পুষ্টি সরবরাহ, নাবালিকাদের প্রকল্পে জোর দেওয়া হবে। এবার নবম পোষণ মাস পালিত হচ্ছে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলোকে পুষ্টির জন্য সতর্ক করা।
মূলত কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। খাদ্যাভ্যাসে বৈচিত্র্য আনা। পর্যাপ্ত প্রোটিন দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে। টাটকা ও পুষ্টিকর খাবার। পরিচ্ছন্নতা এবং মান নিশ্চিত করা। শিশুর খাদ্যাভ্যাস ও শেখার ক্ষমতার মধ্যে যে গভীর সম্পর্ক আছে, তার গুরুত্ব বোঝানো।
প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনার ১০ বছর পূর্তি পালন করা হবে। এই উদযাপনের মাধ্যমে গর্ভবতী মহিলাদের পুষ্টি সুরক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং আর্থিক সহায়তায় প্রকল্পটির অবদান তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে শিশুর সুস্থতা বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশে পুষ্টি ও যত্নের অপরিসীম গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে।
জোর থাকছে খাদ্য বৈচিত্র্যে। ডাল, ফলমূল ও শাকসবজি, বাদাম ও বীজ এবং দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তার সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা মেটাতে অপরিহার্য। জীবনচক্রের প্রতিটি পর্যায়ে, বিশেষ করে পরিপূরক খাদ্যাভ্যাস শুরুর সময়ে খাদ্য বৈচিত্র্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
অঙ্গনওয়াড়ি গরম রান্না করা খাবারের বিষয়টিও নিশ্চিত করা হচ্ছে। মিলেট, ডাল এবং মরশুমি শাকসবজি দিয়ে তৈরি পরিচ্ছন্ন খাবারের ওপর জোর দেওয়া খাদ্য বৈচিত্র্যের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
