Karnataka Governor Walks Out: রাজ্যের দেওয়া লিখিত ভাষণে আপত্তি, দু’লাইন পড়েই বিধানসভা-ত্যাগ রাজ্যপালের
Karnataka News: সম্প্রতি মনরেগা প্রকল্পকে সরিয়ে নয়া আইন তৈরি করেছে কেন্দ্র। নাম জিরামজি। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপালকে কর্নাটকের রাজ্য সরকারের দেওয়া সংশ্লিষ্ট ভাষণে সেই জিরামজি আইনের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছিল। রাজ্যপাল সেই অংশগুলি পড়তেই অস্বীকার করেন।

বেঙ্গালুরু: উত্তপ্ত বিধানসভা। অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। যা ঘিরে ফের চরমে রাজ্যপাল বনাম রাজ্যের সংঘাত। তামিলনাড়ুর পর এবার নজরে কর্নাটক। বৃহস্পতিবার সেই রাজ্যের বিধানসভায় আয়োজিত হয়েছিল একটি যৌথ অধিবেশনের। কিন্তু তা শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল। নিজের ভাষণের শেষের অংশ পড়ে বিধানসভা ছাড়লেন রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল? রাজ্যপালের কক্ষ ত্যাগের কারণটাই বা কী?
এদিন যৌথ অধিবেশনের প্রথম দিন প্রথামাফিক রাজ্য়পালের বক্তৃতা দিয়ে অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মর্মে পোডিয়ামে গিয়ে দাঁড়ান রাজ্যপাল। তাঁর এই বক্তৃতা লিখে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। যা নিয়ে আপত্তি দেখান রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। সংশ্লিষ্ট ভাষণের ১১টি অনুচ্ছেদ নিয়ে আপত্তি তোলেন তিনি। কক্ষে উপস্থিত সদস্যদের সংবর্ধনা জানিয়ে লিখিত ভাষণের শেষ অংশটুকু পড়ে কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল।
কী ছিল এই ১১টি অনুচ্ছেদে?
সম্প্রতি মনরেগা প্রকল্পকে সরিয়ে নয়া আইন তৈরি করেছে কেন্দ্র। নাম জিরামজি। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপালকে কর্নাটকের রাজ্য সরকারের দেওয়া সংশ্লিষ্ট ভাষণে সেই জিরামজি আইনের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছিল। রাজ্যপাল সেই অংশগুলি পড়তেই অস্বীকার করেন। ভাষণের শুরুতে অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত মন্ত্রী-বিধায়কদের সংবর্ধনা জানিয়ে ভাষণের শেষ অংশ পড়ে বেরিয়ে যান তিনি। বলেন, ‘আমাদের সরকার রাজ্যের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জয় হিন্দ, জয় কর্নাটক।’
সংবিধান অনুযায়ী, রাজ্যে কোনও নতুন সরকার তৈরি হলে অথবা প্রতি বছর রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখার স্বার্থে রাজ্যপাল এমন যৌথ অধিবেশন করে থাকেন। বৃহস্পতিবার সেই প্রথা মেনেই আয়োজিত হয়েছিল এই অধিবেশনটি। কিন্তু শুরু আগেই সব শেষ। বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। গোটা ঘটনাকে সংবিধান অপমান ও লঙ্ঘন বলে দাগায় কংগ্রেস। কর্নাটকের মুখ্য়মন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেন, ‘এই অধিবেশনগুলিতে উনি নিজের তৈরি করা ভাষণ দিতে পারবেন না। মন্ত্রিসভা যা তৈরি করবে, তাই পড়তে হবে। কিন্তু উনি শেষের অংশটুকু পড়েই বেরিয়ে গেলেন, এটা সাংবিধানিক নিয়ম লঙ্ঘনের সমান।’
