AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ স্বামী, কেঁদে পাগল অবস্থা স্ত্রীর, শেষে বাথরুমের মেঝে খুঁড়তেই যা বেরিয়ে এল…হাড়হিম কাণ্ড

Crime News: ওই ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। গত ২৬ মে পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেন স্ত্রী। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের দিন অভিযুক্ত মহিলা তাঁর দুই মেয়েকে ভাসুরের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর স্বামীকে ঘুমের ওষুধ মেশানো ক্ষীর খেতে দেন। সুরেন্দ্র ওই ক্ষীর খেয়ে সংজ্ঞা হারাতেই তাঁর স্ত্রী শ্বাসরোধ করে খুন করে। 

৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ স্বামী, কেঁদে পাগল অবস্থা স্ত্রীর, শেষে বাথরুমের মেঝে খুঁড়তেই যা বেরিয়ে এল...হাড়হিম কাণ্ড
৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যক্তির দেহ মিলল বাড়ির শৌচাগারের নীচে।Image Credit: X
| Updated on: Jul 04, 2026 | 7:51 AM
Share

লখনউ: ৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ স্বামী। কান্নাকাটি থকে খোঁজাখুঁজি, পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরিও করেছিলেন স্ত্রী। অবশেষে সেই ব্যক্তির খোঁজ মিলল বাড়িতেই। তবে জীবিত অবস্থায় নয়, মৃত! তাও আবার শৌচাগারের মেঝের নিচে! স্বামীকে খুন করে মাটিতে পুঁতে দিয়েছিলেন ওই মহিলা। নিজেই আবার গিয়ে স্বামীর নিখোঁজ ডায়েরিও করেন। পর্দাফাঁস হতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে ওই মহিলাকে।

এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের আগ্রায়। সুরেন্দ্র শর্মা নামক ওই ব্যক্তি বিগত ৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। পুলিশ ওই ব্য়ক্তির স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। সম্প্রতিই পুলিশের হাতে নতুন তথ্য সূত্র মিলতেই ওই ব্যক্তির বাড়িতে যায় এবং বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে ওই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কেউ এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। গত ২৬ মে পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেন স্ত্রী। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের দিন অভিযুক্ত মহিলা তাঁর দুই মেয়েকে ভাসুরের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর স্বামীকে ঘুমের ওষুধ মেশানো ক্ষীর খেতে দেন। সুরেন্দ্র ওই ক্ষীর খেয়ে সংজ্ঞা হারাতেই তাঁর স্ত্রী শ্বাসরোধ করে খুন করে।

পুলিশের দাবি, খুনের পরের দিন সকালে ওই মহিলা বাথরুমে গর্ত খোঁড়েন, সেখানে দেহ রেখে, উপর দিয়ে সিমেন্ট ঢেলে দেন। নিজের উপরে যাতে সন্দেহ না আসে, সেই কারণেই ওই মহিলা নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন এবং পুলিশের সঙ্গে তল্লাশি অভিযানে সামিল হয়েছিলেন। প্রতিবেশীদের সামনে প্রচুর কান্নাকাটিও করতেন স্বামীর নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে।

তবে পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে মৃত ব্যক্তির দাদা ভাতৃবধূর কথায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন। তারা পুলিশের কাছে সন্দেহের কথা জানাতেই তদন্তের মোড় ঘুরে যায়। লাগাতার জেরা করলে ওই মহিলা অপরাধ স্বীকার করে নেন এবং জানান যে কোথায় দেহ পুঁতে দিয়েছেন। তবে কী উদ্দেশে তিনি এই খুন করেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Follow Us