Indian Army: ভয়ে জুজু হয়ে যাবে চিন-পাকিস্তান! ভারতের হাতে যা এল তা দেখে চমকে উঠছে গোটা বিশ্ব
Indian Army: গত ৩ মাস ধরে রাজনীতিবিদরা ভোট নিয়ে ব্যস্ত। তা বলে প্রতিরক্ষায় এগিয়ে চলা কিন্তু থেমে নেই। এ মাসেই লাদাখে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে দুটো ট্যাঙ্ক রিপেয়ার সেন্টার চালু হয়েছে। একটা দৌলত বেগ ওল্ডিতে আর অন্যটা নয়োমায়।

নয়া দিল্লি: প্রতিরক্ষায় বিরাট সাফল্য। দারুণ সুখবর। শত্রুপক্ষের রেডারকে অকেজো করে গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রযুক্তি চলে এল ভারতের হাতে। একদিন আগেই সুখোই যুদ্ধবিমান থেকে অ্যান্টি-রেডার মিসাইলের পরীক্ষা সফল হয়েছে। ডিআরডিও-র দাবি, যে যে লক্ষ্যে এই মিসাইল পরীক্ষা করা হয়েছিল, তার সবকটিতেই সফল রুদ্রম-টু। এই অ্যান্টি-রেডার মিসাইলের কাজটা ঠিক কী? বিমানহানা বা মিসাইল হামলা আটকাতে যে কোনও দেশের ভরসা বলতে রেডার সিস্টেম। যার কাজ হল হামলাকারীকে আগে থেকে চিহ্নিত করা। সেটা চিহ্নিত করে পাল্টা হামলার প্রযুক্তিও রেডার সিস্টেমে থাকে।
সমর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যান্টি-রেডার মিসাইল সিস্টেম হাতে থাকা মানে শক্রুর মিসাইলকে আগেই চিহ্নিত করে পাল্টা মিসাইল হামলায় তাকে নিষ্ক্রিয় করার ক্ষমতা। রুদ্রম-টু চারদিক থেকে শত্রুর রেডারকে অকেজোও করতে পারে। এর রেঞ্জ কমবেশি ১০০ কিলোমিটার। মানে ভারত এখন শত্রুর হামলাকে আগে চিহ্নিত করতে পারবে। আবার নিজে হামলা চালানোর আগে প্রতিপক্ষের রেডারকে অকেজোও করতে পারবে। ফলে নানা মিসাইল ও যুদ্ধবিমান সহজেই হিট করতে পারবে শত্রু শিবিরে।
গত ৩ মাস ধরে রাজনীতিবিদরা ভোট নিয়ে ব্যস্ত। তা বলে প্রতিরক্ষায় এগিয়ে চলা কিন্তু থেমে নেই। এ মাসেই লাদাখে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে দুটো ট্যাঙ্ক রিপেয়ার সেন্টার চালু হয়েছে। একটা দৌলত বেগ ওল্ডিতে আর অন্যটা নয়োমায়। দু’টোই ১৪ হাজার ৫০০ ফুট উঁচুতে। এতটা উঁচুতে ট্যাঙ্ক রিপেয়ার সেন্টার দুনিয়ার আর কোথাও নেই। এইসব এলাকায় উচ্চতা ও ভৌগলিক প্রতিকূলতার জন্য ট্যাঙ্ক চালানোই চ্যালেঞ্জিং কাজ। বিশেষত শীতকালে বরফ পড়া শুরু হলে অত্যাধুনিক ট্যাঙ্কের ইঞ্জিনও কাজ করা বন্ধ করে দেয়। শীতকালেও যাতে ট্যাঙ্কগুলো সচল থাকে, তার জন্য ঘনঘন সার্ভিসিং প্রয়োজন। এই দুই সেন্টারের কাজ হল শীতের সময়ও আর্মি ট্যাঙ্কগুলোকে সচল রাখা। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী পাঁচ বছরে LAC-তে ট্যাঙ্কের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে ভোটের পরই টেন্ডার ডাকা হবে। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২৫০টি কে-নাইন বজ্র ট্যাঙ্ক কেনার কাজ শুরু হচ্ছে। ২০২৫-এর মাঝামাঝি থেকে সেগুলো হাতে আসা শুরু হবে। ওই একই সময়ে পিনাকা মিসাইলও সেনার হাতে চলে আসবে। তার ঠিক আগেই রুদ্রম টু’র পরীক্ষা সফল হল। ডিআরডিও সূত্রে খবর, সবকিছু ঠিকঠাক চললে ১ বছরের মধ্যেই এই মিসাইল সেনার হাতে তুলে দেওয়া যাবে।
