Nitin Nabin: ভোটে হারলেই লোকতন্ত্র বিপন্ন? রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ নিতিন নবীনের, নিশানায় মমতাও
Nitin Nabin Targets Rahul-Mamata: নিতিন নবীনের কথায়,"আপনারা যখন জেতেন, তখন বলেন লোকতন্ত্রের জয় হয়েছে। আর যখন হেরে যান, তখন বলেন লোকতন্ত্র বিপন্ন।" এরপরই এসআইআর (SIR) প্রসঙ্গ তুলে রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, এসআইআর-এর পর তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হয়েছে। কেরলেও নির্বাচন হয়েছে। সেখানে যখন জিতলেন, তখন লোকতন্ত্র বিপন্ন হয়নি। কিন্তু বাংলায় ভোটে হেরে যাওয়ার পরই লোকতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা।

ভাগলপুর: আজ কলকাতায় বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির (BJP)। সেখানে উপস্থিত থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। তবে, কলকাতায় আসার আগে এবার বিহারের ভাগলপুর থেকে রাহুল-মমতাকে (Rahul Gandhi-Mamata Banerjee) একযোগে আক্রমণ করলেন তিনি। ভোটে জিতলে লোকতন্ত্রের জয়, আর হারলেই লোকতন্ত্র বিপন্ন? এমনই প্রশ্ন তুলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করলেন নিতিন নবীন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে হারলেই বিরোধীরা ভোটপ্রক্রিয়া ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। এই প্রসঙ্গে তামিলনাড়ু ও কেরলের নির্বাচনের উদাহরণও তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে নিশানা করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।
রাহুলকে নিশানা নিতিন নবীনের
নিতিন নবীনের কথায়,”আপনি যখন জেতেন, তখন বলেন লোকতন্ত্রের জয় হয়েছে। আর যখন হেরে যান, তখন বলেন লোকতন্ত্র বিপন্ন।” এরপরই এসআইআর (SIR) প্রসঙ্গ তুলে রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, এসআইআর-এর পর তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হয়েছে। কেরলেও নির্বাচন হয়েছে। সেখানে যখন জিতলেন, তখন লোকতন্ত্র বিপন্ন হয়নি। কিন্তু বাংলায় ভোটে হেরে যাওয়ার পরই লোকতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা।
এখানেই থেমে থাকেননি নিতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য, বাংলায় তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে হেরে যাওয়ার পর সেই মমতার সঙ্গে হাত মিলিয়ে লোকতন্ত্র বিপন্ন বলে সরব হচ্ছেন। রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে বলেন,”লোকতন্ত্র বিপন্ন নয়। বরং আপনাদের বিরোধী দলের কুর্সিই টলমল করছে। আগামী দিনে জনতা আপনাদের বিরোধী দলের আসনে বসার যোগ্যতাও রাখবে না।”
মমতাকেও নিশানা
শুধু রাহুল গান্ধী নন, ইন্ডি জোটের অন্যান্য নেতাদেরও আক্রমণ করেছেন নিতিন নবীন। তাঁর মধ্যে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিতিন নবীনের কথায়, “বিরোধীদের মধ্যে বিহারের তেজস্বী যাদব হোন, উত্তরপ্রদেশের অখিলেশ যাদব হোন কিংবা বাংলার মমতা দিদি-সকলেরই লক্ষ্য ক্ষমতা পাওয়া।”
গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নিতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য,”আমাদের কাছে লোকতন্ত্রকে বাঁচানোই প্রথম কর্তব্য। দেশের সংবিধান আমাদের কাছে সর্বোপরি। দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাস আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”এরপরই বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, দেশের মানুষের আস্থা যদি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের উপর থাকে, তাহলে বিরোধীরা কেন সেই বিশ্বাস অর্জন করতে পারছেন না, তা তাঁদেরই ভেবে দেখা উচিত।
