Supreme Court: ‘অবৈধভাবে আটক করা চলবে না’, অবিলম্বে ১৬৩ ধারার নোটিস সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
Delhi CJP Protest: শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, মেট্রোরেল, ট্রাফিক, ইন্টারনেট এবং সাংবাদিক, আইনজীবী সহ সাধারণ মানুষের স্বাধীনভাবে চলাচল স্বাভাবিক ও নিশ্চিত করতে হবে। ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে হবে। মেট্রো এবং ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক করতে হবে।

নয়া দিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য। আইনজীবীরা আদালত অবমাননার অভিযোগ নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতেই কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ ও মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হল। সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল, মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ হতে পারে না।
এ দিন সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। একে একে আইনজীবীদের বক্তব্য শোনা হয়। সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনা হয়। এরপরই শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অনুসরণ করতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-
এ দিন সুপ্রিম কোর্ট অর্ডারে বলে, :মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে মনে রাখতে হবে, মেট্রো পরিষেবা সীমিত (regulated) হতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ হতে পারে না। সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে সমস্যা না হয়, তা দেখতে হবে। সংবাদমাধ্যম এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ট্রাফিক কন্ট্রোলের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে হবে।”
নির্দেশে আরও উল্লেখ করা হয়, “আমরা যে নির্দেশ দিয়েছিলাম, তার প্রেক্ষিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে।”
৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল তা অমান্য করার অপরাধে সংশ্লিষ্ট অফিসারের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে হলফনামা জমা দিয়ে জবাব দেওয়ার জন্য নোটিস ইস্যু করেছে সুপ্রিম কোর্ট। কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেই স্টেটাস রিপোর্ট মঙ্গলবারের মধ্যে জমা দিতে হবে।
শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, মেট্রোরেল, ট্রাফিক, ইন্টারনেট এবং সাংবাদিক, আইনজীবী সহ সাধারণ মানুষের স্বাধীনভাবে চলাচল স্বাভাবিক ও নিশ্চিত করতে হবে। ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে হবে। মেট্রো এবং ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চূড়ান্ত অবনতি না হলে মেট্রো এবং ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করা যাবে না। স্বাভাবিক রাখতে হবে। মানুষের যাতায়াত এবং ট্রাফিক স্বাভাবিক রাখতে হবে। অবিলম্বে ব্যারিকেড মোতায়েন কমাতে হবে।
আইনজীবী এবং সাংবাদিকদের তাদের পেশাদারী দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।
সুপ্রিম কোর্ট এও স্পষ্ট করে দেয় যে তথ্য আইনে সরকারের যে অধিকার রয়েছে, তা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের সুস্থ-স্বাভাবিক চলাচল আইন মেনেই নিশ্চিত করতে হবে। কোনওরকম বেআইনি আটক করা চলবে না। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ থেকে অবৈধ আটক করা যাবে না।
বিক্ষোভ মোকাবিলার সময় পুলিশ কর্মীদের ব্যাজ যাতে থাকে, সে বিষয় নিশ্চিত করার প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আইন মোতাবেক কাজ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ১৬৩ ধারায় জারির নোটিস অবিলম্বে পুলিশকে সরাতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী শুনানি মঙ্গলবার।
