AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Property Rule: সম্পত্তি কিনুন বা বিক্রি করুন, এই ডকুমেন্ট লাগবেই, কড়া নিয়ম প্রশাসনের

PAN Card Mandatory: সমস্ত জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে সম্পত্তি কেনা-বেচার জন্য ক্রেতা এবং বিক্রেতা- উভয়েরই প্যান কার্ড দেখাতে হবে। আগে এই নিয়ম শুধু সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ছিল। এবার গোটা রাজ্য জুড়েই এই নিয়ম কার্যকর করা হল।

Property Rule: সম্পত্তি কিনুন বা বিক্রি করুন, এই ডকুমেন্ট লাগবেই, কড়া নিয়ম প্রশাসনের
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Meta AI
| Updated on: Feb 07, 2026 | 1:14 PM
Share

লখনউ: সম্পত্তি কিনতে বা বিক্রি করতে গেলে বাধ্যতামূলকভাবে লাগবে প্যান কার্ড (PAN Card)। চালু করা হল এই কড়া নিয়ম। বেনামী লেনদেন আটকাতে এবং বিদেশ থেকে আসা টাকায় সন্দেহজনক রিয়েল এস্টেটের ডিলের উপরে নজরদারি করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্পত্তি কেনাবেচায় প্যান কার্ড বাধ্যতামূলক করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। যেহেতু নেপালের সীমান্তবর্তী রাজ্য উত্তর প্রদেশ, তাই সে দেশ বা বিদেশ থেকে টাকা ঢেলে সম্পত্তি কেনাবেচা করার প্রবণতা বাড়ছে। জঙ্গিমূলক কার্যকলাপেও ব্য়বহার করা হচ্ছে এই টাকা। এবার উত্তর প্রদেশ সরকার সম্পত্তি কেনাবেচার নিয়ম কঠোর করছে। সমস্ত জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে সম্পত্তি কেনা-বেচার জন্য ক্রেতা এবং বিক্রেতা- উভয়েরই প্যান কার্ড দেখাতে হবে।

আগে এই নিয়ম শুধু সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ছিল। এবার গোটা রাজ্য জুড়েই এই নিয়ম কার্যকর করা হল। নেপাল সীমান্তবর্তী গোরক্ষপুর, মহারাজগঞ্জ, সিদ্ধার্থনগর, বলরামপুর, শ্রবস্তী, বাহরিচ ও লখিমপুর খেরিতে কোনও সম্পত্তি কিনতে বা বিক্রি করতে গেলে, দুজনেরই প্যান কার্ড লাগবে। অন্যান্য রাজ্যেও সম্পত্তি কিনতে প্যান কার্ড লাগবে।

সম্প্রতিই সম্পত্তি কেনাবেচার মাধ্যমে ফরেন ফান্ড নেটওয়ার্কের তদন্ত শুরু হয়েছে। এর আগে গত বছর উত্তর প্রদেশের অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডও তদন্তে নেমেছিল। তদন্তে জানা যায়, মৌলনা শামশুল হুদা খান নামক এক ব্যক্তি, যিনি বহু বছর ধরে লন্ডনে থাকছিলেন এবং সেখানে থেকে ব্রিটিশ নাগরিকত্বও পেয়ে গিয়েছিলেন, তারপরও তিনি উত্তর প্রদেশের আজমগড়ের একটি মাদ্রাসা থেকে ২০০৭ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বেতন নিয়েছেন।

ওই ব্যক্তি সম্পর্কে আরও খতিয়ে দেখলে জানা যায় যে একাধিকবার তিনি পাকিস্তানেও গিয়েছিলেন এবং সেখানে একাধিক সন্দেহভাজন প্রতিষ্ঠানের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। সম্ভাব্য জঙ্গিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। ইডি তদন্তে নেমে জানতে পারে, একাধিক পথে প্রায় চার কোটি টাকার লেনদেন করা হয়েছিল। এই টাকা সীমান্তবর্তী জেলায় মাদ্রাসা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল।