PM Modi-Operation Sindoor: বিমানবন্দরেই দোভালের সঙ্গে মিটিং, অপারেশন সিঁদুরের আগে ঠিক কী নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?
Pahalgam Attack: নিরাপত্তা উপদেষ্টা দোভাল বলেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই কথা শুধুমাত্র বার্তা ছিল না, বরং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থানকেই স্পষ্ট করেছিল। তিনি বলেন, "যখন প্রধানমন্ত্রী বলেন যে অপারেশন সিঁদুর এখনও জারি রয়েছে, তার অর্থ হল শেষ জঙ্গিকে নিকেশ করা পর্যন্ত অপারেশন সিঁদুর জারি থাকবে।"

নয়া দিল্লি: অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)- শুধু ভারতীয় সেনাবাহিনী নয়, গোটা দেশবাসীর কাছে গর্বের অভিযান এটি। জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণে যেভাবে নৃশংস হত্যালীলা (Pahalgam Attack) চালিয়েছিল পাক জঙ্গিরা, তার যোগ্য জবাব সে দেশে ঢুকেই দিয়ে এসেছিল সেনাবাহিনী। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক তথ্য সামনে এসেছে। অপারেশন সিঁদুরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঠিক কী নির্দেশ দিয়েছিলেন, এবার তা প্রকাশ্যে এল।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ফাঁস করলেন অপারেশন সিঁদুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী ঠিক কী নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, “যারা বৈসরণে হত্যালীলার পিছনে দায়ী, তাদের কাউকে ছাড়বে না। তা সে এরা আকাশে হোক, পাতালে হোক বা নরকেই লুকিয়ে থাকুক না কেন।”
‘ডিক্লাসিফায়েড: অপারেশন সিঁদুর’ নামক ডকুসিরিজে এই তথ্য সামনে আনা হয়। সেখানে অজিত দোভাল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, জমিতে থাকুক, আকাশে থাকুক, পাতালে থাকুক, যেখানেই থাকুক, আমরা ওদের ছাড়ব না।”
নিরাপত্তা উপদেষ্টা দোভাল বলেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই কথা শুধুমাত্র বার্তা ছিল না, বরং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থানকেই স্পষ্ট করেছিল। তিনি বলেন, “যখন প্রধানমন্ত্রী বলেন যে অপারেশন সিঁদুর এখনও জারি রয়েছে, তার অর্থ হল শেষ জঙ্গিকে নিকেশ করা পর্যন্ত অপারেশন সিঁদুর জারি থাকবে।”
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল, যখন বৈসরণে জঙ্গি হামলা হয়েছিল, তখন সৌদি আরব থেকে ফিরছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। দোভাল সেই দিনের কথা মনে করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ফিরে আসেন। বিদেশ সচিব তাঁকে আনতে গিয়েছিলেন। বিমানবন্দরেই আমাদের মিটিং হয়। প্রথমে তিনি সব তথ্য জানতে চান। তারপর আমার কাছে প্রথম প্রশ্নই ছিল- কে করেছে এটা? কারা অপরাধী, সেই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। আমি এখনই জানতে চাই।”
ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী সেই সময় বলেছিলেন, “আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীকে ধন্যবাদ, আমি মনে করি তারা দারুণ কাজ করেছে। খুব অল্প সময়ে আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পেরেছি।”
গত বছর ২২ এপ্রিলের পহেলগাঁও হামলায় ২৬ জন নিরাপরাধের প্রাণ গিয়েছিল। তার পাল্টা জবাবে ৭ মে গভীর রাতে ভারত পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে এসেছিল।
