Constable Recruitment: জেল থেকে বেরিয়ে হয়েছিলেন পুলিশকর্মী, সেই মোহন্তর হাত ধরেই কনস্টেবল হলেন ২১ জন
Sonarpur: তিনি কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার কনস্টেবল মোহন্ত হালদার। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিজের উদ্যোগে ওই ২৩ জনকে প্রশিক্ষণ দেন তিনি। লিখিত পরীক্ষা থেকে শুরু করে নিয়োগের পরবর্তী ধাপ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রার্থীদের পাশে ছিলেন মোহন্ত।

সোনারপুর: নিজের জীবনে অভাব ছিল। ছিল না নামী কোচিং সেন্টারের মোটা ফি দেওয়ার সামর্থ্য। তার উপর ২০১৬ সালে বিনা অপরাধে জেলও খাটতে হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে লড়াই করে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়েছিলেন তিনি। আর চাকরি পাওয়ার পর নিজের সেই লড়াইয়ের অভিজ্ঞতাকেই হাতিয়ার করে পাড়ার বেকার ছেলেমেয়েদের পাশে দাঁড়ালেন। থানার ডিউটি সামলে অবসর সময়ে বিনামূল্যে পড়ালেন পুলিশ হওয়ার পাঠ। ফল মিলল হাতেনাতে। তাঁর কাছে প্রশিক্ষণ নেওয়া ২৩ জনের মধ্যে ২১ জনই এবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি পেলেন।
তিনি কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার কনস্টেবল মোহন্ত হালদার। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিজের উদ্যোগে ওই ২৩ জনকে প্রশিক্ষণ দেন তিনি। লিখিত পরীক্ষা থেকে শুরু করে নিয়োগের পরবর্তী ধাপ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রার্থীদের পাশে ছিলেন মোহন্ত। বিনিময়ে নেননি কোনও টাকা। কখনও সোনারপুর তেমাথায় নিজের বাড়িতে, কখনও কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার অফিসঘরে চলেছে পড়াশোনা। শুধু পড়াশোনা নয়, কী ভাবে পরীক্ষায় সময় ভাগ করে উত্তর দিতে হবে, কী ভাবে মক টেস্ট দিতে হবে, কোথায় ভুল হচ্ছে—নজর ছিল সবেতেই। ১৫ নম্বরের মক টেস্টের প্রস্তুতিও করানো হয়। পাশে দাঁড়ান থানার বড়বাবু এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরাও।
কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার ওসি দীপঙ্কর বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে থানাতেই আয়োজন করা হয় মক টেস্টের। মোহন্তের এই মহানুভবতায় খুশি সকলে। তিনি বলেন, ” “
