মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ শিবসেনা, তাহলে কি দূরত্ব কমছে প্রাক্তনের সঙ্গে ?

বৃহস্পতিবার শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, "নরেন্দ্র মোদী হলেন দেশের ও তাঁর দলেরও সর্বোচ্চ নেতা।"

মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ শিবসেনা, তাহলে কি দূরত্ব কমছে প্রাক্তনের সঙ্গে ?
ফাইল চিত্র

নয়া দিল্লি: প্রাক্তন জোট সঙ্গীর সঙ্গে কি দূরত্ব কমছে বিজেপির (BJP)? কাছাকাছি আসছে শিবসেনা আর বিজেপি! মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাতের পরই এই জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ২০১৯ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বিচ্ছেদ হয় শিবসেনা ও বিজেপি জোটের। সম্প্রতি ঠাকরের সঙ্গে মোদী সাক্ষাতের বিষয়বস্তু ছিল মারাঠা সংরক্ষণ। তাতে রাজনৈতিক রং দিতে নারাজ শিবসেনা। কিন্তু শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতের মন্তব্যে শুরু জল্পনা।

বৃহস্পতিবার শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, “নরেন্দ্র মোদী হলেন দেশের ও তাঁর দলেরও সর্বোচ্চ নেতা।” সেখান থেকেই দানা বাঁধছে শিবসেনা ও বিজেপির ফের জোটসঙ্গী হওয়ার জল্পনা। যদিও মুখপত্র সামনায় শিবসেনা দাবি করেছে, মোদী-ঠাকরে সাক্ষাতের পিছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই। এর আগে বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপিকে কটাক্ষ করেছেন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত।

২০১৪ ও ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে কেরলে একটিও আসন পায়নি বিজেপি। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গেও বড় ব্যবধানে হেরেছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে আসন্ন ২০২২ বিধানসভা নির্বাচনেও উত্তর প্রদেশ নিয়ে চিন্তায় বিজেপি। কারণ, করোনাকালে উত্তর প্রদেশের গঙ্গায় মৃতদেহ ভাসতে দেখা যাওয়ার পর ভাবমূর্তিতে আঘাত লেগেছে যোগীর। এই অবস্থায় মোদী-শাহর সঙ্গে সাক্ষাত করতে গিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। ২০২৪ লোকসভাকে লক্ষ্য করে ইতিমধ্যেই বিরোধীরা একাট্টা হয়ে মোদী বিরোধিতার সুর চড়াচ্ছে। তার মধ্যে শিবসেনাকে পাশে পেলেও বাড়তি অক্সিজেন পাবে বিজেপি। এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

আরও পড়ুন: ‘অত্যন্ত কম’, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষোভ কৃষক নেতাদের