SC on Job seekers: ছাব্বিশ হাজারের চাকরি বাতিল মামলা স্বস্তির নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট
Supreme Court: এরপর আজ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলায় নতুন কোনও নির্দেশ দেয়নি। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির নির্দেশ, যেহেতু একটি নতুন আইএ দাখিল হয়েছে। তাই বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ ৩১ অগস্টের মধ্যে না বসে বা যতক্ষণ না আইএর শুনানি হচ্ছে, ততক্ষণ পূর্ববর্তী নির্দেশ কার্যকর থাকবে। ফলে নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।"

নয়া দিল্লি: ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় যোগ্যদের আপাতত স্বস্তি। নতুন করে দায়ের হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন আবেদনের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকছে চাকরি। বুঝিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
প্রসঙ্গত, তৃণমূল আমলে দুর্নীতির অভিযোগে এসএসসির ছাব্বিশ হাজারের চাকরি বাতিল হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল যোগ্য অর্থাৎ Untainted প্রার্থীরা আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চাকরি চালিয়ে যাবেন। তবে এর মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে এসএসসিকে, নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এরপর রাজ্যে পালাবদল হয়। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে তারা সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া ঢেলে নতুন করে করতে চাইছে। যা সময় সাপেক্ষ। সেই কারণেই একটি অন্তর্বর্তীকালীন অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। যেখানে আদালতের কাছে সময় চেয়ে বলা হয়, যতক্ষণ না নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত যোগ্যরা যেন কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। এই মামলাটি শোনার কথা ছিল বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চের। তবে অসুস্থতার কারণে এই মামলা শুনতে পারেননি বিচারপতি সঞ্জয় কুমার। ফলত, প্রধান বিচারপতির এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। আবেদনকারীদের তরফে আইনজীবী বলেন, “যেহেতু এখনও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি, তাই যোগ্য প্রার্থীদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে নতুন আইএ বা অন্তর্বর্তীকালীন আবেদন ফাইল করা হয়েছে।”
এরপর আজ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলায় নতুন কোনও নির্দেশ দেয়নি। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির নির্দেশ, যেহেতু একটি নতুন আইএ দাখিল হয়েছে। তাই বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ ৩১ অগস্টের মধ্যে না বসে বা যতক্ষণ না আইএর শুনানি হচ্ছে, ততক্ষণ পূর্ববর্তী নির্দেশ কার্যকর থাকবে। ফলে নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।”
আন্দোলনকারী শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “৩১ অগস্ট আসন্ন। উৎকণ্ঠায় আছি। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন মামলার যতক্ষণ না শুনানি হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ববর্তী নির্দেশ বহাল থাকছে।”
