AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court on Mamata TMC: ‘কোন পক্ষ আসল তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন’, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলা সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মমতার

Supreme Court: তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মমতা তৃণমূলের।কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। জাতীয় নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের নাম, প্রতীক বাজেয়াপ্ত করার পর, কোন পক্ষ আসল তা প্রথম নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপ্রতি প্রসন্ন ভি ভারালের বেঞ্চের নির্দেশ।

Supreme Court on Mamata TMC: 'কোন পক্ষ আসল তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন', অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলা সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মমতার
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 01, 2026 | 12:44 PM
Share

নয়া দিল্লি: তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মমতা তৃণমূলের।কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। জাতীয় নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের নাম, প্রতীক বাজেয়াপ্ত করার পর, কোন পক্ষ আসল তা প্রথম নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়ে দিয়েছে বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপ্রতি প্রসন্ন ভি ভারালের বেঞ্চ। বস্তুত, সুপ্রিম কোর্টে মমতা তৃণমূলের তরফ থেকে আবেদন করা হয়েছিল, তাদের দলের দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রত্যেক মাসে ১২.১৫ কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। তার জন্য  ইডি যে চারটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে, তার থেকে আর্থিক লেনদেন করার অনুমতি দেওয়া হোত। কারণ সামনেই নির্বাচন রয়েছে। এ দিন ছিল মামলার শুনানি।

এ দিন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি কোর্টে সওয়াল করেন, বিরোধী দল হিসাবে তৃণমূলকে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে রাখা হয়েছে। ১১ অগস্ট কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের মাধ্যমে পুরো খরচ বহন করা হবে। এতে কিছু টাকা তারা পাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সামনেই পুরসভা নির্বাচন রয়েছে। ভোটের জন্য বিপুল অঙ্কের টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা আসছে। অথচ চারটি অ্যাকাউন্টে ২১২ কোটি টাকা আছে। সেই টাকাই যাতে ব্যবহার করতে দেওয়া হয় তা জানানো হয় কোর্টে।

পাল্টা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, এক্ষেত্রে কোন পক্ষ আসল তা আগে নিশ্চিত হতে হবে। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়ের প্রসঙ্গও এ দিন টেনে আনেন। জানান, জমি বিক্রির বেআইনি টাকা ঢুকেছে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। তাই তারা যাতে এই বেআইনি অর্থ ব্যবহার না করে তার আবেদন করেন তুষার মেহতা।

আবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের আইনজীবী জানান, ১৭ সেপ্টেম্বর তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। স্বাভাবিকভাবেই দলের অ্যাকাউন্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের কর্তৃত্ব বা অধিকার থাকা উচিত নয়। সব পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর সুপ্রিম কোর্ট জানায় তারা কলকাতা হাইকোর্টের কোনও রায়ে হস্তক্ষেপ করবে না।

বস্তুত, তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছিল তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং প্রভাবশালী সংস্থার বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তরিত হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেন অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়।

ইডি-র বক্তব্য ছিল, তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী ধাপে ধাপে ১০ কোটি টাকা করে জমা করেছেন, বিতর্কিত সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ প্রায় ৩০ কোটি টাকা পাঠিয়েছে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায় প্রায় ৭ কোটি টাকা জমা করেছেন। এর আগে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। কলকাতা হাইকোর্টে ওই অ্যাকাউন্টের টাকা ব্যবহার করার আর্জি জানিয়েছিল মমতা তৃণমূল। সেই সময়ে ওই অ্যাকাউন্টের টাকা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল আদালত।

এদিনের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, যেহেতু তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ হয়ে গিয়েছে তাই এই অবস্থায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ নয়। আসলে রাজ্য পুলিশই ওই চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। কলকাতা হাইকোর্ট ওই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেনি।

Follow Us