AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC MP Sharmila Sarkar: সেদিন হাজির ছিলেন কালীঘাটের বৈঠকেও, আজ শর্মিলার গলায় ‘ক্ষোভ-অসম্মানে’র কথা, মমতাকে ফোন করার ইচ্ছাও নেই

TMC Rebel MP: ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের ঠিক আগে হঠাৎ শোনা যায় শর্মিলার নাম। বর্ধমান পূর্বে তাঁকে টিকিট দেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মনোরোগ বিদ্যার অধ্যাপক শর্মিলা পোড় খাওয়া রাজনীতিক নন। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সাংসদ হন তিনি। আজ, বিজেপি সাংসদ ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের বৈঠকে হাজির থাকতে দেখা যায় তাঁকে।

TMC MP Sharmila Sarkar: সেদিন হাজির ছিলেন কালীঘাটের বৈঠকেও, আজ শর্মিলার গলায় 'ক্ষোভ-অসম্মানে'র কথা, মমতাকে ফোন করার ইচ্ছাও নেই
শর্মিলা সরকারImage Credit: Facebook @Sharmila Sarkar
| Edited By: | Updated on: Jun 08, 2026 | 4:37 PM
Share

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরও তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় উজ্জ্বল ছিল মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব ছিলেন বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার (Sharmila Sarkar)। ভোটের ফল প্রকাশের দিন দশেক পর যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে সাংসদদের ডেকেছিলেন, সেখানেও হাজির ছিলেন শর্মিলা। সেই ছবি প্রকাশ করেন নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে। সেই বৈঠকের পর এক মাসও কাটেনি। আজ, সোমবার সংবাদমাধ্যম যোগাযোগ করতেই শর্মিলা একটানা বলে গেলেন তাঁর পুঞ্জীভূত ক্ষোভ আর অসম্মানের কথা।

মাত্র ২ বছরের সাংসদের কেন এমন সিদ্ধান্ত?

প্রশ্ন করতেই শর্মিলা বললেন, “অনেক দিন ধরে দলকে ক্ষোভের কথা বলার চেষ্টা করেছি। একটা প্রতিবাদ দরকার ছিল। সেই সাহসটা পেয়েছি রাজ্য থেকেই। এটা আমাদের প্রতিবাদ।”

কী এমন ক্ষোভ? প্রশ্ন করতেই শর্মিলা বলেন, “প্রচুর ক্ষোভ। ২ দিনের মাথায় সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনীতিতে এসেছিলাম। দিদির আদর্শ দেখে যোগ দিয়েছিলাম। এসে দেখলাম দলের মধ্যে প্রচুর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। সে কথা কখনও বলিনি। জেলা সভাপতি আমাকে কোনওদিন মান্যতা দেননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানতেন। এবার ভোটে প্রচারে একদিনও ডাকা হয়নি আমাকে।”

‘মমতাকে ফোন করার কোনও ইচ্ছা নেই’

শর্মিলা জানান, কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। ডেরেক ও ব্রায়েন তাঁকে সে কথা বলেছিলেন। সেই সময় শিলং-এ ছিলেন তিনি। ফিরে আর ফোন করা হয়নি। এদিন দিল্লিতেই রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে কি ফোন করবেন শর্মিলা? সাংসদ বলছেন, ‘না না সেরকম কোনও ইচ্ছা নেই।’

বাংলার রাজনীতিতে শর্মিলা সরকার কোনও পরিচিত নাম ছিলেন না। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের ঠিক আগে হঠাৎ শোনা যায় শর্মিলার নাম। বর্ধমান পূর্বে তাঁকে টিকিট দেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মনোরোগ বিদ্যার অধ্যাপক শর্মিলা পোড় খাওয়া রাজনীতিক নন। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সাংসদ হন তিনি। আজ, বিজেপি সাংসদ ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের বৈঠকে হাজির থাকতে দেখা যায় তাঁকে। তৃণমূলের নতুন ব্লক হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার যে ২০ জনের সই করা চিঠি জমা দিয়ে এসেছেন স্পিকারের ঘরে, সেখানে রয়েছে শর্মিলার সই।

Follow Us