Trinamool Congress: ‘তৃণমূল’ নাম আর ‘জোড়াফুল’ প্রতীকটাই ফ্রিজ হয়ে যেতে পারে? শনিবার সবার নজর দিল্লিতে
TMC Symbol controversy: আজ, শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে পৃথক পৃথক সময় দেওয়া হয়েছে। সেখানেই দু পক্ষের সঙ্গে কথা বলবে নির্বাচন কমিশন। আইনজীবী নিয়ে উপস্থিত থাকবে দুই পক্ষ।

নয়া দিল্লি: আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপ নির্বাচন। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বিজেপির অন্দরেও চলছে জল্পনা। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিয়ে। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়জন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগে কোন শিবিরকে তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) নাম ও প্রতীক ব্যবহারের অনুমোদন দেবে নির্বাচন কমিশন, সেদিকে তাকিয়ে সব শিবির। আজ, শনিবার দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলবে কমিশন। আদৌ কি প্রতীক পাবে কেউ? নাকি সাময়িকভাবে ফ্রিজ করে দেওয়া হবে ঘাসফুল প্রতীক?
আজ, শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে পৃথক পৃথক সময় দেওয়া হয়েছে। সেখানেই দু পক্ষের সঙ্গে কথা বলবে নির্বাচন কমিশন। আইনজীবী নিয়ে উপস্থিত থাকবে দুই পক্ষ। তারপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
কী হতে পারে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ?
১. ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারের উপর জারি হতে পারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা।
২. মমতা এবং ঋতব্রত দুই শিবিরকেই একটি সাময়িক নাম এবং অস্থায়ী প্রতীক বরাদ্দ করা হতে পারে।
৩. কমিশনের তরফে প্রকৃত তৃণমূল কারা সেই বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা জারি থাকতে পারে।
কী হয়েছিল শিবসেনার ক্ষেত্রে:
প্রকৃত শিবসেনার দাবি নিয়ে ২০২২ সালের জুলাই মাসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। যখন এই আবেদন কমিশনের বিচারাধীন, তখন ২০২২-এর অক্টোবরে ‘আন্ধেরি ইস্ট’ বিধানসভায় উপনির্বাচন ঘোষণা হয়। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা হিসেবে কমিশন শিবসেনা পার্টির নাম এবং তীর-ধনুক প্রতীক সাময়িকভাবে ফ্রিজ করে দেয়। একনাথ ক্যাম্পকে দেওয়া হয় দুই তরবারি এবং ঢাল প্রতীক। উদ্ধব শিবির পায় জ্বলন্ত মশাল।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শিবসেনা বিতর্কের উপর চূড়ান্ত রায় জানায় কমিশন। একনাথ শিন্ডেকে প্রকৃত শিবসেনার তকমা এবং পুরনো তীর-ধনুক প্রতীক দেওয়া হয়। উদ্ধব ঠাকরের নামে অন্য শিবিরের শিবসেনার নামকরণ হয়। জ্বলন্ত মশাল প্রতীক পায় তারা।
কী হয়েছিল এনসিপির ক্ষেত্রে?
একইভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে কমিশনে প্রকৃত এনসিপির দাবি জানিয়ে শিন্ডে ফডনবিশের সরকারে যোগ দেয় অজিত পাওয়ার। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চূড়ান্ত রায় জানায় কমিশন।
সেই সময় মহারাষ্ট্রে রাজ্যসভার আসনে নির্বাচন এবং আসন্ন ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতীক ইস্যু করে কমিশন। এক ব্যক্তির শিঙ্গা ফোকার প্রতীক দেওয়া হয় শরদ পাওয়ারের এনসিপিকে।
