করোনার বাড়বাড়ন্তে ২৬ মে অবধি জারি নৈশকার্ফু, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘লকডাউনে’রও ইঙ্গিত ত্রিপুরায়

সংক্রমণ রুখতে নৈশ কার্ফুর পাশাপাশি আন্তঃরাজ্য চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে আগামী ২৬ মে অবধি। কেবল জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়া হবে।

করোনার বাড়বাড়ন্তে ২৬ মে অবধি জারি নৈশকার্ফু, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে 'লকডাউনে'রও ইঙ্গিত ত্রিপুরায়
ফাইল চিত্র।

আগরতলা: রাজ্যে বেড়েই চলেছে সংক্রমণ। তাই সরকারের তরফে নৈশকার্ফুর মেয়াদ আরও আটদিন বাড়ানো হল। বুধবার থেকেই ত্রিপুরার শহরতলিতে সন্ধে ছ’টা থেকে ভোর পাঁচটা অবধি নৈশ কার্ফু জারি থাকবে।

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠকের পর শিক্ষমন্ত্রী রতনলাল নাথ জানান, সংক্রমণ রুখতে নৈশ কার্ফুর পাশাপাশি আন্তঃরাজ্য চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে আগামী ২৬ মে অবধি। কেবল জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়া হবে।

রাজ্যের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, বিগত সাতদিনে আগরতলা পুরসভা অঞ্চলে ৩৪৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে ৬২৬ জনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। অর্থাৎ ওই অঞ্চলে আক্রান্তের ১৮ শতাংশ, যদিও গোটা ত্রিপুরা মিলিয়ে এই হার ৬.৯২ শতাংশ।

জেলাভিত্তিক সংক্রমণের হারের নিরিখে রতনলাল আরও জানান, পশ্চিম ত্রিপুরায় সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি, ১১.৯২ শতাংশ। এরপর উনাকোটিতে ৭.৯২ শতাংশ, খোয়াইয়ে ৫.৫৯ শতাংশ, সেপাইজালায় ৪.৯৭ শতাংশ, গোমতিতে ৪.৭৫ শতাংশ, ঢালাইয়ে ৪.৪৭ শতাংশ সংক্রমণের হার। সবথেকে কম সংক্রমণ উত্তর ত্রিপুরা জেলায়, সেখানে মাত্র ৩.৫৬ শতাংশ মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না এলে ভবিষ্যতে আরও কঠিন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেট বৈঠকে গরিবদের জন্য আর্থিক প্যাকেজের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা হবে।”

করোনা সংক্রমণের জেরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে সমস্ত পরীক্ষাও।

আরও পড়ুন: সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে আদর্শ ‘মুম্বই মডেল’, কীভাবে বাণিজ্যনগরীতে বাগ মানল করোনা?

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla