What India Thinks Today: ‘আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা দৃঢ় না হলে…’, অমিত শাহর নেতৃত্বের প্রশংসা করলেন অভয় ভুতড়া
What India Thinks Today: রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি), ভারতের ১ নম্বর নিউজ নেটওয়ার্ক TV9-এর বার্ষিক সম্মেলন 'হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে'র মঞ্চে এদিন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডিজিটাল দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি অমিত শাহর নেতৃত্বে ভারতের দৃঢ় সুরক্ষা ব্যবস্থারও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তিনি বলেন, সুদঢ় আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ছাড়া কোনও দেশই উন্নতি করতে পারে না।

নয়া দিল্লি: প্রধানমন্ত্রী মোদীর ডিজিটাল দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতে ঘটেছে বিপ্লব। লাতুরের মতো ছোট ছোট শহরগুলিতেও ধরা পড়ছে অনেক পরিবর্তন। তৈরি হচ্ছে ব্যবসা করার অনুকূল পরিবেশ। ছোট ছোট শহরে আগে মানুষ যে সকল বাধার সম্মুখীন হতেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আজ সেই সকল বাধা অতিক্রম করে যাচ্ছে। তবে, ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানালেন ফিনটেক সংস্থা পুনাওয়ালা ফিনকর্পের এমডি অভয় ভুতড়া। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি), ভারতের ১ নম্বর নিউজ নেটওয়ার্ক TV9-এর বার্ষিক সম্মেলন ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’র মঞ্চে এদিন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডিজিটাল দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি অমিত শাহর নেতৃত্বে ভারতের দৃঢ় সুরক্ষা ব্যবস্থারও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
অভয় ভুতরা বলেন, “সুদঢ় আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ছাড়া কোনও দেশই উন্নতি করতে পারে না। আমি আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহজির বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করতে চাই। নিরাপত্তা, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য দেশ এবং দেশের নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য তিনি অনেক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর জন্য আমি তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানাই।” প্রসঙ্গত, কোনও দেশে ব্যবসায় লগ্নির আগে, সকল সংস্থাই দেখে সেই দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা মজবুত। নিরাপত্তাগত দিক থেকে স্থিতিশীল না হলে, সেই দেশে লগ্নি করতে আগ্রহ বোধ করেন না শিল্পপতিরা। কাজেই, ডিজিটাল রূপান্তরের পাশাপাশি, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা প্রয়োজন।
যদি গত ১০ বছরের দিকে তাকানো যায়, ভারত সরাসরি কোনও দেশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায়নি। দেশের দুই সীমান্তে রয়েছে দুই হুমকি, পাকিস্তান ও চিন। মোদী সরকারের আমলে ভারত পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ না করলে, পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসা হবে না। আবার চিন যখন ভারতের জমি দখঘল করতে চেয়েছে, মোদী সরকারের নীতি ছিল, ভারতীয় সেনা অন্য কারও জমি দখল করবে না, কিন্তু নিজেদের জায়গা ছেড়েও পিছিয়ে আসবে না। আর তাতেই, ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে চিন। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দিক থেকেও অমিত শাহর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আশাতীত সাফল্য পেয়েছে। অতি সম্প্রতি, ছত্তীসগঢ়ে মাওবাদী কমান্ডার হিদমার গ্রাম তথা মাওবাদীদের সদর দফতর দখল করে নিয়েছে সেনা-পুলিশের যৌথ বাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ প্রায় বন্ধ। চাপের মুখে কৌশল বদলাতে বাধ্য হয়েছে জঙ্গিরা।
