AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘যেখানে বেশি ভোট ডিলিট, সেখানেই বিজেপি বেশি জিতেছে’, কেন পিটিশন ফাইল করার কথা বললেন কপিল সিব্বল?

West Bengal Assembly Election Results 2026: এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়ে তিনি বলেন, "এই নির্বাচনে তৃণমূল এবং কমিশনের মধ্যে লড়াই হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে নয়। যেখানে বেশি ভোট ডিলিট হয়েছে, সেখানে বিজেপি বেশি জিতেছে। গণনা কেন্দ্রে হিংসা হয়ে থাকলে ভিডিয়ো প্রকাশ করা হোক।"

'যেখানে বেশি ভোট ডিলিট, সেখানেই বিজেপি বেশি জিতেছে', কেন পিটিশন ফাইল করার কথা বললেন কপিল সিব্বল?
কপিল সিব্বল।Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: May 06, 2026 | 2:51 PM
Share

নয়া দিল্লি: রাজ্যের হয়ে একাধিক মামলা লড়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়েও সওয়াল করেছেন বিভিন্ন মামলায়। এবার পালাবদলের পর কী বলছেন কপিল সিব্বল? “নির্বাচন আসবে, যাবে। কিন্তু সংবিধানের হার হওয়া উচিত নয়“, এমনটাই মত তাঁর।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কপিল সিব্বল বলেন, “কীভাবে জয় হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা বদলা নয়, বদলের নীতিতে বিশ্বাস। খুব ভালো বয়ান। যেখানে মেজরিটি নেই, সেখানে সরকার ভেঙে দিয়ে সরকার তৈরি করেছে। এটা কি বদলের রাজনীতি? আপনি চান কোনও রাজ্যে যেন কোন বিরোধী না থাকে।

কমিশনকে আক্রমণ করে প্রবীণ আইনজীবী বলেন, “বাংলা ২৪০০ ব্যাটেলিয়ান পাঠিয়েছিল। ইলেকশন কমিশনের দায়িত্ব ছিল সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সব ক্ষমতা হাতে ছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিল, ১৭ হাজার সিএপিএফ (CAPF) ওখানে থাকবে। কিন্তু হিংসা কাদের বিরুদ্ধে হচ্ছে? বাংলাজুড়ে হিংসা চলছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আপনার CAPF কী করছে? এতদিন বলেছে, তৃণমূল হিংসা করে। বাকিদের সুরক্ষা প্রয়োজন। কিন্তু হিংসা কাদের বিরুদ্ধে হচ্ছে? এটা বদল? কাউকে ছাড়া হয়নি। প্রথম থেকে বদলার ভাবনা নিয়ে কাজ করছে।”

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়ে তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে তৃণমূল এবং কমিশনের মধ্যে লড়াই হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে নয়। যেখানে বেশি ভোট ডিলিট হয়েছে, সেখানে বিজেপি বেশি জিতেছে। গণনা কেন্দ্রে হিংসা হয়ে থাকলে ভিডিয়ো প্রকাশ করা হোক। কমিশনের ৪৫ দিন পর্যন্ত ভিডিয়ো রাখার কথা। রাউন্ড ভিত্তিক গণনার কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। কাউন্টিং সেন্টারে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ ছিল।”

শুধু নির্বাচন নয়, ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সিব্বল বলেন, “মার্চ-এপ্রিলে ২০টি অপারেশন করেছে ইডি। I-PAC এর অপারেশন বন্ধ করা হয়েছে। তৃণমূলের নেতাদের বাড়িতে, অফিসে রেইড হয়েছে। সমন করা হয়েছে।”

সাম্প্রদায়িকতার রঙ চড়ানো হয়েছে নির্বাচনে, তা নিয়ে সরব হন কপিল সিব্বল। তিনি বলেন, “ভোটে সাম্প্রদায়িক আবেদন করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সব হিন্দুদের এক হতে হবে। না হলে বাংলা বাংলাদেশে চলে যাবে। এই ধরনের আবেদন জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের বিরুদ্ধে। এর ভিত্তিতে ইলেকশন পিটিশন ফাইল হওয়া উচিত। বদলের রাজনীতিতে দেশ কখনও উন্নত হবে না।”

Follow Us