Baguiati news: নামী সোনার গয়নার দোকানে প্রতারণা, গ্রেফতার ৭
এরপরেই স্বর্ণ বিপণনী সংস্থা থেকে মঙ্গলবার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত নেমে পুলিশ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম অঙ্কিত কুমার। তিনি বেলুড়ের বাসিন্দা। নিরাজ শনি। তিনি শ্রীরামপুরের বাসিন্দা।

বাগুইআটি: প্রতারণা করে নাম করা সোনার দোকান থেকে সোনা ক্রয়। গ্রেফতার সাতজন অভিযুক্ত। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭০ লক্ষ টাকার সোনার অলঙ্কার, ও বিলাসবহুল (bmw) আরটিকা গাড়ি। ধৃতদের বারাসত আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত চলতি মাসের ১৭ তারিখে। বাগুইহাটির স্বর্ণ বিপণনী সংস্থার থেকে রোহিত সিং নামে এক গ্রাহক ইনভয়েসের মাধ্যমে কিছু কেনাকাটা করেছিলেন। সেই পেমেন্টটি অনলাইনে দিয়েছিলেন। যার মূল্য ছিল সাড়ে নয় লক্ষ টাকা। কোম্পানির স্ট্যান্ডিং অপারেটিং প্রসিডিউর নিয়ম মেনে প্যান কার্ডের কপি সংগ্রহ করেছিলেন।
এরপর পুনরায় ১৮ জুলাই ওই গ্রাহক ৯ গ্রাম ওজনের সোনার কয়েন কিনতে চান। পেমেন্ট করার জন্য লিংক চাওয়া হয় দোকানের কাছ থেকে। পরবর্তীতে দোকানদার জানতে পারে যে আধার কার্ডটি ব্যবহার করা হয়েছে সোনা ক্রয় করার জন্য, সেটি নকল। শুধুমাত্র বাগুইহাটি নয় শ্রীরামপুরেও স্বর্ণ বিপণনী সংস্থা থেকে একই উপায়ে সোনা কেনা হয়েছে।
এরপরেই স্বর্ণ বিপণনী সংস্থা থেকে মঙ্গলবার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত নেমে পুলিশ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম অঙ্কিত কুমার। তিনি বেলুড়ের বাসিন্দা। নিরাজ শনি। তিনি শ্রীরামপুরের বাসিন্দা। গ্রেফতার হয়েছেন অভিজিৎ কুমার সিং, সোনাপুরের বাসিন্দা সাগর মণ্ডল, রোহিত কুমার, রাহুল সিং ও শ্যাম সিং ফিরোজাবাদ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭০ লক্ষ টাকা সোনার গহনা দু’টি গাড়ি।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছে প্রতারণার অর্থ দিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে সোনা ক্রয় করতো এই চক্র। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
