AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Behala School: একজন ছাত্র, একজন শিক্ষক, এক প্লেট মিড ডে মিল! খাস কলকাতার স্কুল যেন খাঁ খাঁ করছে

West Bengal School: TV9 বাংলার ক্যামেরা সেখানে পৌঁছলে স্কুলে কোনও ছাত্রকে দেখা যায়নি। উপস্থিত ছিলেন একজন শিক্ষক। ক্যামেরা দেখে, তিনি কোনও কথা বলতে চাননি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই শিক্ষক প্রতিদিন সকাল ১০টা নাগাদ স্কুলে যান এবং কয়েক ঘণ্টা থাকার পর বাড়ি চলে যান। এমনকী মাত্র একজন ছাত্রের জন্যই মিড ডে মিল যায় স্কুলে।

Behala School: একজন ছাত্র, একজন শিক্ষক, এক প্লেট মিড ডে মিল! খাস কলকাতার স্কুল যেন খাঁ খাঁ করছে
বেহালার স্কুলের ছবিImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 21, 2026 | 8:22 AM
Share

বেহালা: সরকারি প্রাথমিক স্কুল। দরজা খুললে একে একে চোখে পড়বে অফিসঘর, ক্লাসরুম। সে সব ঘরে আছে চেয়ার, টেবিল, নেই শিক্ষক। আছে বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড, নেই ছাত্র বা ছাত্রী। একগুচ্ছ ফ্যান ধুলোর স্তরে ঢাকা। সিলিং থেকে খুলে মেঝেতে রাখা। খাস কলকাতার সরকারি স্কুলে দিনের পর দিন এভাবেই চলছে।

পূর্বতন সরকারের আমলে রাজ্যের একাধিক সরকারি স্কুলের বেহাল দশার ছবি সামনে এসেছে। সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দুর্নীতির জালে আটকে গিয়েছে নিয়োগ, পঠনপাঠনের হতশ্রী দশায় একে একে স্কুল ছেড়েছে পড়ুয়ারা। বেহালার রায়বাহাদুর রোডের বেহালা আদর্শ শিক্ষা নিকেতন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অবস্থায় উদ্বিগ্ন এলাকার বাসিন্দারাও।

১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলে বর্তমানে পড়ুয়ার সংখ্যা মাত্র একজন, আর শিক্ষকও রয়েছেন মাত্র একজন। অভিযোগ, স্কুলে নিয়মিত পঠনপাঠনের পরিবেশ কার্যত নেই। TV9 বাংলার ক্যামেরা সেখানে পৌঁছলে স্কুলে কোনও ছাত্রকে দেখা যায়নি। উপস্থিত ছিলেন একজন শিক্ষক। ক্যামেরা দেখে, তিনি কোনও কথা বলতে চাননি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই শিক্ষক প্রতিদিন সকাল ১০টা নাগাদ স্কুলে যান এবং কয়েক ঘণ্টা থাকার পর বাড়ি চলে যান। এমনকী মাত্র একজন ছাত্রের জন্যই মিড ডে মিল যায় স্কুলে।

প্রশ্ন উঠছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমন পরিস্থিতি কেন? দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের পরিকাঠামো ও পঠনপাঠনের পরিবেশ উন্নত না হওয়ায় কি অভিভাবকেরা সন্তানদের অন্যত্র ভর্তি করছেন?

স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, স্কুলটিকে যদি নতুন করে সাজিয়ে উন্নত পরিকাঠামো তৈরি করা হয় এবং নিয়মিত পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে এলাকার ছেলে-মেয়েরা আবার এই স্কুলে যেতে পারে। তাঁদের দাবি, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলটিকে এভাবে অবহেলায় ফেলে না রেখে দ্রুত সংস্কার ও পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

Follow Us