Suvendu Adhikari: মমতা এক বছর আটকে রেখেছিলেন, নবান্ন থেকে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari on census: ২০১১ সালের পর জনগণনা হচ্ছে দেশজুড়ে। এদিন নবান্নে প্রথমে সেন্সাস অপারেশনের ডিরেক্টর রেশমি কমল জানান, গত বছরের জুনে জনগণনা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলায় সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে গত ১১ মে। এবার দুই দফায় জনগণনা হবে। প্রথম দফায় হাউসলিস্টিং এবং হাউজিং সেন্সাস অপারেশন (HLO) হবে। আর দ্বিতীয় দফায় পপুলেশন এন্যুমেরাশন (PE) হবে। দ্বিতীয় দফার পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া নিয়ে পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

কলকাতা: বাংলায় ক্ষমতায় এসেই একের পর এক সিদ্ধান্ত। এবার জনগণনা নিয়ে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দু সরকারের। বাংলায় শুরু হচ্ছে জনগণনা। শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানালেন, আগামী ১ অগস্ট থেকে জনগণনার কাজ শুরু হবে। এবারই প্রথম জনগণনা ডিজিটালি হচ্ছে। আর এই ঘোষণা করতে গিয়েই পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা যেভাবে ভারত ছেড়ে পালাচ্ছেন, এদিন তা-ও তুলে ধরেন শুভেন্দু।
২০১১ সালের পর জনগণনা হচ্ছে দেশজুড়ে। এদিন নবান্নে প্রথমে সেন্সাস অপারেশনের ডিরেক্টর রেশমি কমল জানান, গত বছরের জুনে জনগণনা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলায় সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে গত ১১ মে। এবার দুই দফায় জনগণনা হবে। প্রথম দফায় হাউসলিস্টিং এবং হাউজিং সেন্সাস অপারেশন (HLO) হবে। আর দ্বিতীয় দফায় পপুলেশন এন্যুমেরাশন (PE) হবে। দ্বিতীয় দফার পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া নিয়ে পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এই প্রথম জনগণনার এই পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল হবে।
ভারতের জনগণনার ইতিহাসে প্রথমবার সেল্ফ এন্যুমেরাশন যোগ করা হয়েছে। প্রথম দফায় ১ অগস্ট থেকে সেল্ফ এন্যুমেরাশন শুরু হবে। তা চলবে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত। যেসব পরিবার সেল্ফ এন্যুমেরাশন করবে না, তাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবেন তথ্য সংগ্রাহকরা। সেল্ফ এন্যুমেরাশনের পর প্রথম দফার কাজ চলবে ১৬ অগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই দফায় পরিবারের আর্থিক অবস্থা, সম্পত্তি-সহ ৩৩টি প্রশ্নের উত্তর জানতে তথ্য সংগ্রাহকরা বাড়ি বাড়ি যাবেন।
জনগণনা শুরু নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
গত বছরের জুনে কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞপ্তি জারির পর অন্যান্য রাজ্যে জনগণনার কাজ শুরু হলেও বাংলায় হয়নি। এই নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিগত সরকারের কাছে জনগণনা শুরু করার জন্য নোটিফিকেশন এসেছিল। আমি ইস্যুটাকে রাজনৈতিক করব না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে আগের সরকার জনগণনার চিঠির কোনও উত্তর দেয়নি। আগের চিফ সেক্রেটারি রাজনৈতিক মতামতের অপেক্ষায় ছিলেন। যদিও বর্তমান রাজ্যপাল নোটিফিকেশন জারি করেন। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে আছে। আমাদের খুব কম সময়ের মধ্যে এই কাজটা শেষ করতে হবে।”
জনগণনার তথ্য বাংলায় কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, “আমাদের রাজ্যে জনগণনার তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আমাদের রাজ্যের প্রায় ৬০০ কিমি বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। কাঁটাতার না থাকায় এবং আগের সরকার বিএসএফকে জমি না দেওয়ায় আমাদের রাজ্যে অনেকটা ডেমোগ্রাফি বদলে গিয়েছে। যেভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে মানুষজন ফিরে যাওয়ার জন্য লাইন দিচ্ছেন, এদের নাম জনগণনায় আসতে যেসব তথ্য লাগবে, সেগুলো ওরা দিতে পারবে না। সেজন্যই আমাদের রাজ্যের জন্য জনগণনা গুরুত্বপূর্ণ।”
২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত জনগণনার প্রক্রিয়া চলবে বলে তিনি জানান। জনগণনায় সবাইকে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী।
