Sand Smuggling: সুর্বণরেখা থেকে নিয়ম না মেনেই তুলত বালি, ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতি! এই ‘ব্যক্তির’ নামে চার্জশিট দিল ইডি
গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অরুণ শারফ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল ইডি। অভিযোগ, এই অরুণের সংস্থা ওয়েস্টবেঙ্গল স্যান্ড-মাইনিং-ট্রান্সপোর্ট-স্টোরেজ ও সেলে যা যা নিয়ম আছে, তার সব কিছুকে উপেক্ষা করে বালি তুলত। এরপর তা বিক্রি করত। বেআইনি ভাবে ব্যাপক অর্থ রোজগার করত এই সংস্থা।

কলকাতা: বালি পাচার (Sand Smuggling) মামলায় চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। অভিযুক্ত অরুণ শরাফ সহ আঠারো জনের নামে চার্জশিট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে অরূণের সংস্থা ‘জিডি মাইনিং’-এর নামেও জমা পড়েছে চার্জশিট। বিচারভবনে এই চার্জশিট জমা পড়েছে বলে খবর।
গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অরুণ শারফ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল ইডি। অভিযোগ, এই অরুণের সংস্থা ওয়েস্টবেঙ্গল স্যান্ড-মাইনিং-ট্রান্সপোর্ট-স্টোরেজ ও সেলে যা যা নিয়ম আছে, তার সব কিছুকে উপেক্ষা করে বালি তুলত। এরপর তা বিক্রি করত। বেআইনি ভাবে ব্যাপক অর্থ রোজগার করত এই সংস্থা। ১৪৫ কোটি টাকার মোট দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। অরুণ ছাড়াও ইডির আধিকারিকরা চার কর্মীর নামে চার্জশিট জমা দিয়েছে। ৫৭ দিনের মাথায় পড়ল এই চার্জশিট।
গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রথম বালিপাচার তদন্তে নামে ইডি। ওই দিন ইডি একযোগে ঝাড়গ্রাম ও বেহালায় অভিযান চালায় ইডি (ED Raid)। কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময়ই জিডি মাইনিংয়েও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। ঝাড়গ্রামে গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতে চলেছিল তল্লাশি। সুবর্ণরেখা নদী থেকে কোনও নিয়ম না মেনে দেদার বালি পাচারের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরে সৌরভ রায় নামক এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। এরা সকলেই বালির অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযুক্ত বলে ইডি। আজ তাঁদের বিরুদ্ধই জমা পড়ল চার্জশিট।
