CPM leader Lahek Ali: জেলে CPM-এর লাহেক, লেখা-পড়া, আয়-রোজগার কত জানেন?
Lahek Ali: রবিবার বারুইপুর-কাণ্ডে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন লাহেক। সোমবার তাঁকে কোর্টে তোলা হয়। আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে, বাম নেতার পরিষ্কার মন্তব্য, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এও বলেছেন, "আমি উস্কানি দিয়েছি প্রমাণ করুক।"

কলকাতা: হাত মুঠো। আদালত থেকে বেরিয়ে উঠবেন প্রিজ়ন ভ্যানে। তার আগে দৃপ্ত কণ্ঠে বললেন, ‘এভাবে বেশিদিন আটকে রাখা যাবে না…।’ এই বছর অর্থাৎ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি সিপিএম-এর হয়ে লড়াই করেছিলেন বারুইপুর পশ্চিম থেকে। জিততে পারেননি। এর আগেও নির্বাচনে লড়েছিলেন। কিন্তু এতদিন খবরে তাঁকে দেখা যায়নি। আজ শুধুই চর্চায় তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। বারুইপুরে গণপিটুনির ঘটনায় নাকি তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। আর তারপর সটান তাঁর বাড়িতে হাজির পুলিশ। এরপর গ্রেফতারি। কথা হচ্ছে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে নিয়ে। বামেদের এই তরুণ মুখকে চেনেন? জানেন তাঁর কী পরিচয়?
লাহেক পেশায় গৃহশিক্ষক। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। ২০০৫ সাল থেকে তিনি সক্রিয় ভাবে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমে DYFI-এর জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। এরপর সিপিএম। ২০২৪ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পার্টির জেলা কমিটির সদস্য হয়েছেন। ২০০১ ও ২০২৬ সালে বারুইপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হন।
রবিবার বারুইপুর-কাণ্ডে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন লাহেক। সোমবার তাঁকে কোর্টে তোলা হয়। আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে, বাম নেতার পরিষ্কার মন্তব্য, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এও বলেছেন, “আমি উস্কানি দিয়েছি প্রমাণ করুক।” বারেবারে বুঝিয়েছেন ইচ্ছা করে ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে।
এ দিকে, দলের কর্মীর গ্রেফতারির পর ক্ষোভে ফুঁসছে সিপিএম। লাহেকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছে লাহেক আলিকে। আবার সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষের বক্তব্য, “পুলিশকে কাজে লাগিয়ে লাহেক আলিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য সরকার। এর বিরুদ্ধে আমরা আদালতে যাব। আদালতে গিয়েই জয় ছিনিয়ে আনব।”
