AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR in Bengal: সিইও অফিসে বসারই জায়গা নেই, আরও মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ কমিশনের

Micro observer: গত ৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়। প্রথম থেকেই বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করে তৃণমূল। আবার হিয়ারিং পর্ব শুরু হওয়ার পর ভোটারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে কমিশনকে নিশানা করে রাজ্যের শাসকদল। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একাধিকবার চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

SIR in Bengal: সিইও অফিসে বসারই জায়গা নেই, আরও মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ কমিশনের
ফাইল ফোটোImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 17, 2026 | 6:37 PM
Share

কলকাতা: বাংলায় বাড়ছে বিএলও-দের অসন্তোষ। বিএলও-দের গণইস্তফার মতো ঘটনা সামনে আসছে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সরব হচ্ছে। তারই মধ্যে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আরও বড় সিদ্ধান্ত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। এসআইআর-র কাজে গতি বাড়াতে আরও তিন হাজার মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করছে। আবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে যেখানে বসার জায়গাও এখন নেই, সেখানে কাজ করার জন্য আরও ৮০ জন মাইক্রো অবজার্ভারকে পাঠাচ্ছে কমিশন।

গত ৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়। প্রথম থেকেই বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করে তৃণমূল। আবার হিয়ারিং পর্ব শুরু হওয়ার পর ভোটারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে কমিশনকে নিশানা করে রাজ্যের শাসকদল। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একাধিকবার চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

এই আবহে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রথম থেকেই নানা পদক্ষেপ করে চলেছে কমিশন। এই মুহূর্তে SIR-র কাজে নিযুক্ত আছেন প্রায় ৪ হাজার ২০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার। সম্প্রতি আরও তিন হাজার মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করে কাজে গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। রাজ্যের সিইও দফতরও ভরে গিয়েছে কর্মীতে। এসআইআর-র কাজে তাঁদের সিইও দফতরে নিয়োগ করা হয়েছে। যখন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে বসার জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন আরও আশি জন মাইক্রো অবজার্ভারকে সিইও অফিসে পাঠাচ্ছে কমিশন। মূলত যাবতীয় তথ্য যাচাইয়ের জন্যই তাঁদের পাঠানো হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। এর পরই প্রশ্ন উঠছে, যাঁরা নতুন দায়িত্ব নিচ্ছেন, তাঁরা কীভাবে এসেই নথি যাচাই করতে পারবেন? একই সঙ্গে সিইও দফতরে জায়গার অভাব। সেখানে তাঁরা কীভাবে কোথায় বসবেন, সেই প্রশ্নও উঠছে।