AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Swapan Dasgupta: ২০২১-এ বিজেপি ‘অবাঙালি’ পার্টি, ২০২৬-এ ‘খাঁটি বাঙালি’, কীভাবে? ব্যাখ্যা করলেন স্বপন দাশগুপ্ত

WB Assembly Election 2026: স্বপন দাশগুপ্ত বলেন,"আরও একটা ভুল ছিল আমরা হয়তো কোথাও মানুষের মধ্যে একটা ছবি তৈরি করে ফেলেছিলাম যে আমরা পুরোপুরি বাঙালি পার্টি না।" তবে, এই ভাবনাটা তাঁরা বদলাতে পেরেছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এখন খাঁটি বাঙালি পার্টি।

Swapan Dasgupta: ২০২১-এ বিজেপি 'অবাঙালি' পার্টি, ২০২৬-এ 'খাঁটি বাঙালি', কীভাবে? ব্যাখ্যা করলেন স্বপন দাশগুপ্ত
স্বপন দাশগুপ্তImage Credit: Tv9 Bangla
| Updated on: Apr 20, 2026 | 4:55 PM
Share

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি অবাঙালি পার্টি। বারবার এমনই অভিযোগ করে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের দাগিয়ে দেওয়া এই তকমাই বাংলার নির্বাচনে বিজেপির ব্যর্থতার প্রধান কারণ? রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত মেনে নিয়েছেন বিজেপি বাঙালি পার্টি নয়, এই ছবিটা মানুষের মধ্যে কোথাও তারাও হয়তো তৈরি করে ফেলেছিলেন। সেই কারণেই তাঁরা হয়তো ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জিততে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে, চলতি বছরের নির্বাচনে বিজেপি বাঙালি পার্টি হয়ে উঠেছে। টিভি৯ বাংলা ডিজিটালের এডিটর নির্ণয় ভট্টচার্যকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত।

২০২১-এ কেন বিজেপি হেরেছে?

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা ছিল ৩। আর ২০২১-এর নির্বাচনে তা একলাফে বেড়ে হয় ৭৭। স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, ২০২১-এর নির্বাচনে বিজেপি সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু, তারপরেও জিততে পারেননি। কেন জিততে পারেননি, তার কারণ হিসেবে প্রবীণ বিজেপি নেতা বলেন, “আমরা অনেকগুলো ভুল করেছিলাম। প্রার্থী বাছাইয়ে ভুল হয়েছিল। তারকা মুখকে প্রার্থী করা হয়েছিল। তাছাড়া তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েই অনেকে টিকিট পেয়েছিলেন। মানুষের মধ্যে একটা ধারণা তৈরি হয় যে তৃণমূলের সঙ্গে হয়তো এদের কোনও পার্থক্য নেই। কয়েনের এপিট-ওপিট।”

বিজেপি খাঁটি ‘বাঙালি পার্টি’

কিছুটা ভেবে-চিন্তে নির্বাচনে পরাজয়ের আরও একটা কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন,”আরও একটা ভুল ছিল আমরা হয়তো কোথাও মানুষের মধ্যে একটা ছবি তৈরি করে ফেলেছিলাম যে আমরা পুরোপুরি বাঙালি পার্টি না।” তবে, এই ভাবনাটা তাঁরা বদলাতে পেরেছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এখন খাঁটি বাঙালি পার্টি। এমনটাই দাবি করেছেন স্বপন দাশগুপ্ত। কীভাবে তা সম্ভব হল? স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, এবার বাইরে থেকে নেতারা খুব একটা আসছেন না। যদিও বাইরের নেতাদের মধ্যে তিনি বাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, যোগী আদিত্যনাথ, স্মৃতি ইরানি, কঙ্গনা রানাউতদের। সেখানে তাঁর যুক্তি বিজেপি সর্বভারতীয় দল। আর প্রধানমন্ত্রী তো প্রচারে আসবেনই। প্রচারের ক্ষেত্রে কঙ্গনার মতো তারকারও প্রয়োজন রয়েছে।

তবে, স্বপন দাশগুপ্ত দাবি করেছেন, এবার যা হচ্ছে বঙ্গ ব্রিগেডের মধ্যেই। সভাগুলিতে বক্তৃতাও রাখছেন শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের মতো বাঙালি বিজেপি নেতারা। তিনি মনে করেন, মানুষের মধ্যে বাঙালি দল হিসেবে নিজেদের আলাদা ছবি তৈরি করেছেন। যা এবারের নির্বাচনে ভাল রেজাল্ট দেবে।

উল্লেখ্য, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বারবার বাঙালি অস্মিতাকে হাতিয়ার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটপ্রচারে এই ইস্যুতেই সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বিজেপি এলে বাংলায় মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। পাল্টা বিজেপি প্রার্থীদের মাছ নিয়েই প্রচার করতে দেখা যাচ্ছে। বাঙালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হচ্ছে তাঁদের প্রচারে। কোথাও গিয়ে কি এগুলো বাঙালি পার্টি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরারই প্রচেষ্টা? বাঙালি অস্মিতায় জোর দিয়ে কি এবার বাংলায় পালাবদল ঘটিয়ে সরকার গঠন করতে পারবে বিজেপি? তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৪ মে পর্যন্ত।

Follow Us