Shopping Mall: ‘কোনও কম্প্রোমাইজ নয়’, সোজা সাউথ সিটি, ওয়েস্ট সাইডে পৌঁছে গেলেন আধিকারিকরা
সম্প্রতি তারাপীঠ ও এসপ্লানেডের দুটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ করে দেওয়া একাধিক গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শহরের প্রায় ৯১৯ টি অতিথিশালা বা গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশিকা জারি হয়েছে কলকাতা পুরসভা এবং দমকলের তরফে।

কলকাতা: রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান, হোটেল, গেস্ট হাউসের পর এবার নজরদারি শহরের একাধিক শপিং মলে। বুধবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মল ও ওয়েস্ট সাইড মলে হাজির হন দমকল আধিকারিকরা। পুরো মল খতিয়ে দেখেন তাঁরা। মূলত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়।
সম্প্রতি তারাপীঠ ও এসপ্লানেডের দুটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ করে দেওয়া একাধিক গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শহরের প্রায় ৯১৯ টি অতিথিশালা বা গেস্ট হাউস বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশিকা জারি হয়েছে কলকাতা পুরসভা এবং দমকলের তরফে। পর্যাপ্ত অগ্নি সুরক্ষাবিধি না মানায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মির্জা গালিব স্ট্রিট, ধর্মতলা, জানবাজার সহ মধ্য কলকাতার একাধিক গেস্ট হাউসে এখনও অগ্নি সুরক্ষায় ত্রুটিপূর্ণ বলে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
এবার শপিং মলগুলিতে নজর দেওয়া হচ্ছে। মূলত ফুড কোর্ট ঘুরে দেখেন আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ঠিক আছে কি না, মেয়াদ উত্তীর্ণ কি না, পর্যাপ্ত কর্মী আছে কি না, সব খতিয়ে দেখা হয়। ফুড কোর্ট, পানশালার ভিতরে ঢুকে অডিট করেন আধিকারিকরা। নকশা বা প্ল্যান খতিয়ে দেখা হয়। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে কি না, সেটাও দেখছেন আধিকারিকরা।
এক আধিকারিকরা বলেন, “আনন্দ করতে এসে নিরানন্দের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেটা খতিয়ে দেখা হয়। প্রোটোকল মেনে ভিজিট করছি। কোনটা করতে হবে, কোনটা করা নেই, সেগুলো দেখা হচ্ছে।”
