AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Firhad Hakim: ‘আল্লাহতালা থাকতে আমার ক্ষতি হবে না…’, সে দিন ওই সব কথা কেন বলেছিলেন, ব্যাখ্যা ফিরহাদের মুখে

Firhad Hakim: সম্প্রতি এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন, 'উপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরুর চেয়েও সংখ্যাগুরু হতে পারি।' এবার সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যা তিনি নিজেই দিলেন।

Firhad Hakim: 'আল্লাহতালা থাকতে আমার ক্ষতি হবে না...', সে দিন ওই সব কথা কেন বলেছিলেন, ব্যাখ্যা ফিরহাদের মুখে
ফিরহাদ হাকিম (ফাইল ফোটো)Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Dec 19, 2024 | 4:22 PM
Share

কলকাতা: ‘সংখ্যাগুরু’ মন্তব্য নিয়ে ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলও দলের তরফে তাঁর মন্তব্যকে মান্যতা দেওয়া হয়নি, সমর্থনও করা হয়নি। এবার সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন তিনি নিজে। ফিরহাদ বলেছিলেন, ‘উপরওয়ালার আশীর্বাদ থাকলে আমরাও একদিন সংখ্যাগুরুর চেয়েও সংখ্যাগুরু হতে পারি। বিতর্ক দানা বাঁধলে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন তাঁর কন্যা। আর এবার তিনি নিজেই দিলেন ব্যাখ্যা।

বৃহস্পতিবার ওয়াকফ বিল প্রত্যাহারের দাবিতে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতায়। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ। মঞ্চে উঠে তিনি দাবি করেন, তাঁর বক্তৃতার অপব্যাখ্যা করা হয়। তিনি যা বলতে চান, তা অন্যভাবে বোঝানো হয়। বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি।

ফিরহাদের দাবি, তাঁর কথা ঘুরিয়ে সাম্প্রদায়িক ছাপ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “সব ধর্মকে হৃদয় দিয়ে সম্মান করি। কিন্তু আমার নিজের ধর্ম আমি ১০০ শতাংশ মানি। পিছিয়ে পড়া মানুষের শিক্ষার অগ্রগতির কথা বলা যদি অন্যায় হয়, তাহলে আমি নিশ্চিতভাবে আমি অন্যায় করেছি। সবাইকে শিক্ষিত হতে হবে।” অর্থাৎ মেয়রের দাবি, ‘সংখ্যাগুরু’ মন্তব্যে আদতে সবার শিক্ষার কথা বলেছিলেন তিনি।

তাঁর মন্তব্য নিয়ে নোংরা রাজনীতি করা হচ্ছে বলে দাবি করে ফিরহাদ বলেন, “আমি পরোয়া করি না। কারণ আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ ছাড়া কারও সামনে মাথানত করা যায় না। কর্মটাই হল আমার জীবন, আর সেটা করাচ্ছেন আল্লাহতালা। তিনি থাকতে আমার কোনও ক্ষতি হবে না।” হিন্দু বন্ধুদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। এর আগে তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী হাকিম দাবি করেছিলেন, উর্দু ভাষায় বলতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলেছিলেন ফিরহাদ।