AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

CPIM News: কৌটো নাচানো থেকে কিউআর কোড, জানেন ভোটের সময় কত টাকা তুলছে সিপিএম?

Kolkata: বাম সংস্কৃতির অন্যতম অংশ হল বাড়ি বাড়ি ঘুরে চাঁদা তোলা। সিপিএম দাবি করে, তারা বড় বড় শিল্পপতি বা কর্পোরেট সংস্থার কাছ থেকে অনুদান নেওয়ার বদলে সাধারণ মানুষের ছোট ছোট দানে দল চালায়। তাদের মতে, এতে দলের ওপর সাধারণ মানুষের নিয়ন্ত্রণ এবং অধিকার বজায় থাকে। 

CPIM News: কৌটো নাচানো থেকে কিউআর কোড, জানেন ভোটের সময় কত টাকা তুলছে সিপিএম?
কত টাকা উঠল?Image Credit: Gemini
| Edited By: | Updated on: Mar 29, 2026 | 5:37 PM
Share

কলকাতা: কৌটো নিয়ে গিয়ে চাঁদা সংগ্রহ করে সিপিএম। আর এই ভাবে নির্বাচনী তহবিল গড়ার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। তবে এবার সেই দিন শেষ। এখন চাঁদা তুলতে বাড়ি-বাড়ি যাওয়া নয়, ডিজিটালি চাঁদা তুলছেন তাঁরা। বলা ভাল কিউআর কোড মারফত আর্থিক সাহায্য চাইছেন তাঁরা। আর তার থেকে কত টাকা রোজগার হয়েছে জানেন?

সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী নিজেই জানিয়েছেন নির্বাচনের আবহে কত টাকা উঠেছে তার কথা। সুজন টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “আগে কিউআরকোড ছিল না। আমরা বরাবরই জনগণের কাছ থেকে টাকা তোলার পরিপন্থী। অনেকেই আছেন যাঁরা দলকে টাকা দিতে চান, বিশেষ করে এই টাকা চেনা পরিচিতরাই দিয়ে থাকেন। দূরে দূরে যাঁরা আছেন তাঁরা কীভাবে টাকা দেবেন? কিউআরকোডে সুবিধা।” সুজন তখনই জানান, আট-দশ লক্ষ টাকাও ওঠে না। পাঁচ-ছয় লক্ষ টাকা হয়ত এইভাবে ওঠে। তিনি বলেন, “তবে যাঁরা এই টাকা দেন, তাঁরা সকলেই চেনা পরিচিত বা বন্ধু কিংবা পার্টির সমর্থকরা। আমাদের তো আর ইলেকট্রোরাল বন্ড নেই। বামেরা মানুষের উপর নির্ভর করে।” 

এই ক্রাউড ফান্ডিংয়ে সাড়া কেমন?

সুজন বলেন, “যেটুকু আসে। লোকসভা ভোটের সময় আমার জন্য এক লক্ষ টাকা কি তারও কম উঠেছিল। সবটাই বন্ধু বান্ধবদের থেকে আসে।”

ভোট এলে একটি রাজনৈতিক দলের খরচা কম হয় না। প্রার্থীদের প্রচারের সব টাকাই পার্টি থেকে দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রার্থী নিজে থেকে চাইলে সেই অনুযায়ী খরচ করেন। বড়-বড় সব রাজনৈতিক দলগুলি ইলেকট্রোরাল বন্ড নিয়ে ব্যস্ত সেই সময় সিপিএম-এর ভরসা সাধারণ মানুষই।

এ প্রসঙ্গে সিপিএম মুখপাত্র কৌস্তভ  চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সিপিএম বাদে সব রাজনৈতিক দলগুলি ইলেকট্রোরাল বন্ড থেকে টাকা নিত। এখন ভারতে বন্ধ। আমাদের ইলেকট্রোরাল বন্ড হল হিউম্যান বন্ড। অসংখ্য মানুষ আমাদের টাকা চাঁদা দেন। আর মানুষও বলছে, তৃণমূল-বিজেপি আমাদের থেকে টাকা নেয় না তাহলে এত হোডিং ব্যানার কীভাবে দেয়?” আর সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ বলেন, “আমরা কৌটো নাচিয়ে টাকা সাধারণ মানুষের সামনেই তুলেছি। তৃণমূলের মতো চুরি করিনি। হাত পেতে চুরি করিনি।”

বাম সংস্কৃতির অন্যতম অংশ হল বাড়ি বাড়ি ঘুরে চাঁদা তোলা। সিপিএম দাবি করে, তারা বড় বড় শিল্পপতি বা কর্পোরেট সংস্থার কাছ থেকে অনুদান নেওয়ার বদলে সাধারণ মানুষের ছোট ছোট দানে দল চালায়। তাদের মতে, এতে দলের ওপর সাধারণ মানুষের নিয়ন্ত্রণ এবং অধিকার বজায় থাকে।

Follow Us