AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Free Service in Hospital: কোনও কার্ড লাগবে না, বেসরকারি হাসপাতালেও ‘ফ্রি’ সার্ভিস! বড় সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

Health Minister West Bengal: তৃণমূল সরকারের আমলে 'রেফার রোগে'র বলি হতে হয়েছে একাধিক রোগীকে। বেড না পেয়ে পড়ে থাকতে হয়েছে হাসপাতালের বাইরে। এবার সেই অবস্থার পরিবর্তন চায় বর্তমান বিজেপি সরকার।

Free Service in Hospital: কোনও কার্ড লাগবে না, বেসরকারি হাসপাতালেও 'ফ্রি' সার্ভিস! বড় সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 11, 2026 | 4:15 PM
Share

কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বেহাল ছবি সামনে এসেছে একাধিকবার। আরজি কর-কাণ্ডের পর সেই ক্ষত আরও প্রকট হয়। রেফার রোগ, দালাল চক্রের জেরে রাজ্যের স্বাস্থ্যের অবস্থা দিনে দিনে তলানিতে ঠেকেছে। সেই অবস্থার হাল ফেরানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ নয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Heath Minister) শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। দফতর বন্টনের পরই পরিষেবা নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন শারদ্বত।

সরকারি হাসপাতালে জায়গা না পেলে বেসরকারি হাসপাতালে মিলবে পরিষেবা। শহরের বেসরকারি হাসপাতালগুলির ১০ শতাংশ বেডে বিনামূল্যে সেই পরিষেবা মিলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তবে ওই পরিষেবা পেতে কোনও কার্ড দেখাতে হবে না। শুধুমাত্র আধার কার্ড থাকলেই হবে।

শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে বেডের অভাব রয়েছে। তাই রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। নতুন নিয়মে, কোনও সরকারি হাসপাতালে রোগী জায়গা না পেলে, নিকটবর্তী বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে ১০ শতাংশ বেড সংরক্ষিত থাকবে, যাতে ওই ফিরে যাওয়া রোগী বিনামূল্যে পরিষেবা পাবেন।

পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শারদ্বত বলেন, “এতদিন তো কাটমানি নেওয়া হত, তাই চক্ষুলজ্জায় কেউ বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়ার কথা বলত না। এখন আইনের শাসন জারি হয়েছে।” তবে পুরোপুরিভাব ওই পরিষেবা চালু করতে গেলে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তিনি। চালু করা হবে টোল ফ্রি নম্বর। দেওয়া হবে বিজ্ঞাপন। ফলে সাধারণ মানুষ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারবেন। উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে ‘রেফার রোগে’র বলি হতে হয়েছে একাধিক রোগীকে। বেড না পেয়ে পড়ে থাকতে হয়েছে হাসপাতালের বাইরে।

Follow Us