EC: ভোটের জন্য খাটতে কত করে নেওয়া হবে ভাড়া? কমিশনকে জানাল পরিবহন দফতর
এখানে উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন থেকে বারবার পরিবহন দফতরের কাছে গাড়ি পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এদিকে বেসরকারি রুটের বাস মালিকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন ভাড়া না বাড়ানো হলে তারা তাদের নিজেদের গাড়ি ছাড়বেন না। পরবর্তীতে দফায়-দফায় বৈঠকের পর এবার নির্দিষ্ট করে ভাড়া বৃদ্ধি করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয় পরিবহন দফতরের তরফে।

কলকাতা: কলকাতা নির্বাচনের জন্য ভাড়ায় নেওয়া বাস বা গাড়ির ভাড়া কত? এবার নির্দিষ্ট করে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিল পরিবহন দফতর। বিগত দিনগুলি তুলনায় অনেকটাই ভাড়া বাড়িয়ে নিজেদের তালিকা নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়ে দিলেন পরিবহন দফতরের প্রধান সচিব সৌমিত্র মোহন। সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।
পরিবহন দফতর সূত্রে খবর, যেখানে গাড়িগুলির ভাড়া সম্পর্কিত তালিকা, এবং আনুষঙ্গিক একাধিক বিষয় নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। ভিন রাজ্যে নির্বাচনে বাস বা কম যাত্রীদের নিয়ে যে বাস চলাচল করে, সেগুলি যে ভাড়ায় নেওয়া হয়, তা পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সেই ভাড়া না দেওয়া হলে বেসরকারি রুটের বাসের মালিকরা আর নিজেদের যান দেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন। যা নিয়ে বিপাকে পড়ে পরিবহন দফতর।
এখানে উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন থেকে বারবার পরিবহন দফতরের কাছে গাড়ি পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এদিকে বেসরকারি রুটের বাস মালিকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন ভাড়া না বাড়ানো হলে তারা তাদের নিজেদের গাড়ি ছাড়বেন না। পরবর্তীতে দফায়-দফায় বৈঠকের পর এবার নির্দিষ্ট করে ভাড়া বৃদ্ধি করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয় পরিবহন দফতরের তরফে।
অল বেঙ্গল বাস মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রতি বছর ভোটের সময়ে গাড়ি কিংবা বাস ভাড়া নেওয়া হয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় আমাদের ভাড়া অনেকটাই কম। আসে বাসের ভাড়া ছিল ২৫৩০। এক কর্মী পেতেন ২৫০টাকা।”
