AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Humayun on Selim: ‘সিপিএমটাকে শেষ করে দিলেন..’, প্রশ্ন শুনে ‘সেলিম সাহেবের’ হাঁড়ি ভাঙলেন হুমায়ুন

Humayun Kabir: ভরতপুরের বিদ্রোহী বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সাফ কথা, “ওদের যে ঝামেলার জন্য তো আমি দায়ী নই। প্রতীকূরের পদত্যাগ করার অধিকার রয়েছে। শতরূপেরও বক্তব্য রাখার অধিকার আছে।” সঙ্গে আবার করলেন একগুচ্ছ বিস্ফোরক দাবি। একবার নয়, শুধু নিউটাউন নয়, একাধিকবার বৈঠক করেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে।

Humayun on Selim: 'সিপিএমটাকে শেষ করে দিলেন..', প্রশ্ন শুনে 'সেলিম সাহেবের' হাঁড়ি ভাঙলেন হুমায়ুন
রাজনৈতিক মহলে জল্পনা Image Credit: TV 9 Bangla GFX
| Updated on: Feb 18, 2026 | 10:42 AM
Share

কলকাতা: ‘একজন লোক আত্মহত্যা করে কখন? যখন সে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়।’ দলের প্রতিই তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে বলছেন প্রতীক উর রহমান। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু প্রতীকূর ইস্যুতেই এক্কেবারে ঘেঁটে ঘ সিপিএম। আর শুরুটা? সেই নিউটাউনের হোটেল। সেলিম-হুমায়ুন বৈঠক। তীব্র বিতর্কের মুখেও সেলিমের পাশে দাঁড়িয়ে শতরূপের মন্তব্য। কারও নাম না করে পাল্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় নীতি-নৈতিকতার পাঠ প্রতীক উরের। ব্যাস, তারপর থেকে তরজার তীব্রতা যেন ক্রমেই বেড়েছে। এরইমধ্যে ভাইরাল প্রতীক উরের চিঠি। দল ছাড়তে চাইছেন কমরেড। ছাড়তে চাইছেন রাজ্য কমিটি। কে ভাইরাল করল জানা নেই। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার তাই হয়ে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত আসরে নামতে হল খোদ বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকে। ভরতপুরের বিদ্রোহী বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যদিও বলছেন, “ওদের যে ঝামেলার জন্য তো আমি দায়ী নই। প্রতীকূরের পদত্যাগ করার অধিকার রয়েছে। শতরূপেরও বক্তব্য রাখার অধিকার আছে।” সঙ্গে আবার করলেন একগুচ্ছ বিস্ফোরক দাবি। একবার নয়, শুধু নিউটাউন নয়, একাধিকবার বৈঠক করেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে। 

হুমায়ুনের ‘মন বুঝতে যাওয়ার’ পরেই সেলিমের বিরুদ্ধে যেন তোপের পর তোপ দেগেছিলেন বিজেপি-তৃণমূল নেতারা, তেমনই বাম নেতাদের হাত থেকে রেহাই পাননি হুমায়ুনও। এখন পাল্টা তাঁদের একহাত নিচ্ছেন হুমায়ুন। টিভি৯ বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসে চাঁচাছোলা ভাষাতেই বললেন, “সুজনবাবুর মতো বামফ্রন্টের অনেক নেতা আমাকে অনেক তাচ্ছিল্য করছেন, অযোগ্য, সাম্প্রদায়িক বলছেন। কিন্তু তাঁদের রাজ্য সম্পাদক আমার সঙ্গে এতবার বসছেন, তাহলে তাঁরা কী খোঁজ রাখেন? তাঁর পার্টির সম্পাদকের কাছে আমি কদিন গিয়েছি নাকি সে আমার কাছে কদিন হোটেল আইটিসি-তে এসেছে, ক’দিন ওয়েস্টিনে এসেছে সেটা তাঁরা খোঁজ রাখবে না, আমার ঘাড়ে চাপাবে! তাঁরা সেলিম সাহেবকে কেন কন্ট্রোল করতে পারেনি তার জবাব আমাকে কেন দিতে হবে!”  

শুধু তাই নয়, সিপিএমের সঙ্গে জোট হতে হতেও কেন ভেস্তে গেল সেই ব্যাখ্যাও দিলেন হুমায়ুন। বললেন, “৪ ডিসেম্বর যখন আমাকে ববি হাকিম সাসপেন্ড করল সেদিন আমি সেলিম সাহেবকে আমি নিজে থেকে ফোন করেছিলাম। আমি বলেছিলাম আপনারা মুর্শিদাবাদে ৬টা সিট নিন। কিন্তু উনি রাজি হননি। একটা মিটিংয়ের কথা তো সবাই জানে। কিন্তু তার আগে কতবার বসেছি সেটা ওনাকেই জিজ্ঞেস করবেন। শুধু বসাই নয়, কতবার ফোনে কথা হয়েছে জিজ্ঞেস করতে পারেন।”  

ভোটের মুখে বাবরি মসজিদের ঘোষণা, জনতা উন্নয়ন পার্টির পথচলা, সব মিলিয়ে বঙ্গ রাজনীতির আঙিনায় ঝড় তুলেছেন হুমায়ুন কবীর। বিজেপি বলছে, তৃণমূলই তাঁকে রাস্তায় নামিয়েছে তাঁদের বি টিম হয়ে কাজ করার জন্য। অন্যদিকে তৃণমূল বলছে বিজেপির বি টিম। আর হুমায়ুন? হুমায়ুনের সাফ কথা, “আমি তৃণমূলেরও বি টিম না, বিজেপিরও বি টিম না। আমি এ টিমে খেলার জন্য নেমেছি। আপনি গণনার দিন দেখবেন হুমায়ুন কবীর এ টিমের হয়েই খেলতে নেমেছে। জনতা উন্নয়ন পার্টি আর তার সহযোগীরা বিজেপির থেকে অন্তত ১টা সিট আর তৃণমূলের থেকে ১০টা সিট বেশি পাবে। আমি জোর গলায় বলছি। সব রঙ বদলে যাবে।”