West bengal assembly: বিধানসভার ভিতরে শোভনদেবের দিকে হাত বাড়ালেন ববি, পরক্ষণেই কুণাল এসে বললেন এই কথাটা, ধীর-ধীরে বেরিয়ে গেলেন ফিরহাদ
Firhad Hakim: তবে, এই ছবিটা কিন্তু অটুট ছিল দু'টো মাস আগেও। এখন ভিন্ন। সুপ্রিমো মমতার ছত্রছায়া ছেরে তাঁর ভরসা যোগ্য ববি গিয়ে নাম লিখিয়েছেন 'বিদ্রোহী' ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দলে। আর বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শোভন দেব ছাড়তে পারেনি 'দিদি'-কে। তিনি এখনও রয়েছেন মমতার পাশেই।

কলকাতা: কোনও সভা হচ্ছে একসঙ্গে থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। কিংবা কোনও মিটিং-মিছিলেও পাশাপাশি থাকতেন তাঁরা। এইসব বাদ দিয়েও স্রেফ দলের কোনও কর্মসূচি তাতেও পাশাপাশি বসতেন তাঁরা। এই অভ্যাস আজকে নয়, বহু পুরনো। কিন্তু এখন তাঁদেরই চলার পথে যেন আলাদা। অন্তত পক্ষে রাজনীতিতে তো বটেই। কথা হচ্ছে বালিগঞ্জের কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায় ও কলকাতা বন্দরের বিধায়ক তথা নতুন তৃণমূলপন্থী নেতা ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে। এ দিন বিধানসভার অন্দরে যে ছবি ধরা পড়ল তাতে বোঝা গেল দুই নেতার পথ আপাতত আলাদাই।
তবে, এই ছবিটা কিন্তু অটুট ছিল দু’টো মাস আগেও। এখন ভিন্ন। সুপ্রিমো মমতার ছত্রছায়া ছেড়ে তাঁর ভরসা যোগ্য ববি গিয়ে নাম লিখিয়েছেন ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দলে। আর বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শোভন দেব ছাড়তে পারেনি ‘দিদি’-কে। তিনি এখনও রয়েছেন মমতার পাশেই। তাই হয়ত চিড় ধরেছে সম্পর্কে। এখন পুরনো নতুনদের দ্বন্দ্বে বিধ্বস্ত তৃণমূল। কথাকাটাকাটি কাদা ছোড়াছুড়ির মধ্যেও ওই যে দীর্ঘদিনের অভ্যাস….আজ যেন ফের একবার প্রকাশ হয়েই গেল বিধানসভার ভিতরে।
মুখমন্ত্রী জবাবী ভাষণ দিচ্ছিলেন। ক্রমাগত বিঁধে যাচ্ছিলেন তৃণমূলকে। তখনই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে যান। দেখা যায় ফিরহাদ হাকিম দাঁড়িয়ে। তিনিও বিধানসভা ছাড়বেন। ইশারাতে যা বোঝা গেল অনুমান হয়ত তিনিও ডাকছিলেন শোভনদেবকে। কিন্তু তিনি ওঠেনি। এরপর কুণাল ঘোষ হাত নাড়িয়ে কিছু একটা বলার চেষ্টা করেন। মনে করা হচ্ছে, ববিকে চলে যেতেই বলেন তিনি। তারপর ধীরে ধীরে বেরিয়ে যান ফিরহাদ।
