Kakoli Ghosh Dastidar: তৃণমূলের সব সাংগঠিনক পদ ছেড়ে দিলেন কাকলি, এবার?
Kakoli Ghosh Dastidar Resignation: শুরুটা হয়েছিল লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরানোর পর থেকেই। সরাসরি কিছু না বললেও তাঁর অভিমানী পোস্ট দেখে আন্দাজ করেছিলেন অনেকেই। সাফ লিখেছিলেন, ‘চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’

কলকাতা: দলের সঙ্গেই দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে। তৃণমূলের সাংগঠনিক সব পদ ছেড়ে দিলেন বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। ইতিমধ্যেই তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রীর পদ থেকেও ইস্তফা। রবিবারই বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রীর পদ ছাড়েন কাকলি। তবে কী তৃণমূল ছাড়ার পথে আরও এক পা এগোলেন কাকলি? রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছেই।
ইতিমধ্যেই দলের সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে তিনি দলীয় সব পদ থেকে অব্যহতি চেয়ে চিঠিও দিয়েছেন। সেখানেই একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগও করতে দেখা যায় কাকলিকে। সূত্রের খবর, চিঠিতে তিনি মহিলা সাংসদদের উপর একজন দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণের কথা উল্লেখ করেছেন। ফলে সেই সাংসদ কে তা নিয়ে চর্চা চলছেই। পাশাপাশি শিক্ষা দুর্নীতি, আরজি করের ঘটনা যে তাঁকে নাড়া দিয়েছে সে কথাও চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।
এদিকে শুরুটা হয়েছিল লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরানোর পর থেকেই। সরাসরি কিছু না বললেও তাঁর অভিমানী পোস্ট দেখে আন্দাজ করেছিলেন অনেকেই। সাফ লিখেছিলেন, ‘চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সৈনিক, তাঁর পুরনো সহযোদ্ধা কাকলির এই পোস্ট যে রীতিমতো ইঙ্গিতবাহী ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে তা নিয়েই জোর চাপানউতোর শুরু হয়ে যায় চাপানউতোর। এরইমধ্যে দেখা যায় কাকলির বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা অনেক বেড়ে যায়। এরমধ্যে আবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকেও দেখা যায় তাঁকে।
