Lalbazar withdraws security cover: কল্যাণ, শোভন, অরূপদের নিরাপত্তায় বড় কাটছাঁট, কী সিদ্ধান্ত নিল লালবাজার?
Security reduced for TMC leaders in Bengal: মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার ২ দিন পরই নবান্নে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে ভিআইপিদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভিআইপিদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তারপরই অভিষেকের নিরাপত্তা কমানো হয়। এবার ১০ জনের বাড়ির নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল।

কলকাতা: আগেই নিরাপত্তা কমেছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার আরও ১০ জনের বাড়ির নিরাপত্তা (হাউস গার্ড) তুলে নিল লালবাজার। তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রী থেকে প্রাক্তন ডিজিপি-রাও। তালিকায় রয়েছেন ডিরেক্টর অব সিকিউরিটিও।
কাদের বাড়ির নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল?
এদিন লালবাজার তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির নিরাপত্তা তুলে নিয়েছে। এছাড়া তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, আইনজীবী সঞ্জয় বসু, তৃণমূলের প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর, তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি মনোজ মালব্য এবং প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি তথা বর্তমান ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডে। এই ১০ জনের বাড়ির নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে।
সাধারণত, কোনও সাংসদ Y ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজীব কুমার তৃণমূলের লোকসভা এবং রাজ্যসভার সাংসদ। সেই মতো তাঁরা নিরাপত্তা পাবেন। একসময় রাজীব কুমারের জন্য ধরনায় বসেছিলেন সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই রাজীব কুমারেরই হাউস কার্ড তুলে নেওয়া হল। ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডে আগে ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি ছিলেন। ফলে তিনি যে সিকিউরিটি পেতেন, তা ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পদে আবার বদলি হওয়ায় সেই সিকিউরিটি পাবেন না।
পূর্বতন সরকারে মন্ত্রী ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। মন্ত্রী থাকায় Y ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন। কিন্তু মন্ত্রী পদ চলে যাওয়ার কারণে আর কোনও নিরাপত্তা পাবেন না। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে জয়ী কুণাল ঘোষ আগে আদালতের নির্দেশে নিরাপত্তা পেতেন। কিন্তু এ বারের বিধানসভা ভোটে জেতার পরে কুণাল ঘোষের সরকারিভাবে বিধায়ক পদের জন্য নিরাপত্তা পাওয়ার কথা। তাই আগের আদালতের নির্দেশে যে নিরাপত্তা তিনি পেতেন, সেটির আর কার্যকারিতা নেই। আগের শাসকদল বাকিদের যে নিরাপত্তা দিত, তাঁদের বেশিরভাগের হাউস সিকিউরিটি দরকার নেই বলেই তুলে নিতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার ২ দিন পরই নবান্নে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে ভিআইপিদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভিআইপিদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তারপরই অভিষেকের নিরাপত্তা কমানো হয়। এবার ১০ জনের বাড়ির নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল।
