AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

CEC: মিলে গেল বাম-বিজেপির দাবি, CEC জ্ঞানেশ কুমারের কাছে কী কী জানিয়ে এলেন সেলিম-জগন্নাথরা

CEC Meeting: বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন শিশির বাজোয়িরা, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, তাপস রায়। বামেদের প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, রাজ্য কমিটির সদস্য আফরিন বেগম, শমীক লাহিড়ী। বেরিয়ে এসে তাঁরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তবে দু'পক্ষই কমিশনের কাছে যে বক্তব্য রেখেছে, তার 'কমন ফ্যাক্টর' ভোটের দফা। দু'পক্ষই চেয়েছে বাংলায় যাতে এক কিংবা দু'দফায় ভোট সম্পন্ন হয়।

CEC: মিলে গেল বাম-বিজেপির দাবি, CEC জ্ঞানেশ কুমারের কাছে কী কী জানিয়ে এলেন সেলিম-জগন্নাথরা
বাঁ দিকে বিজেপির প্রতিনিধি দল, ডান দিকে, বামেদের প্রতিনিধি দলImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 09, 2026 | 12:18 PM
Share

কলকাতা: রবিবার রাতেই কলকাতায় চলে এসেছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সোমবার সকাল থেকে বাংলার সব রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছেন CEC জ্ঞানেশ কুমার। এদিন সকালে প্রথমে বিজেপি-র প্রতিনিধি দল বৈঠক করে, পরে সিপিএম। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন শিশির বাজোয়িরা, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, তাপস রায়। বামেদের প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, রাজ্য কমিটির সদস্য আফরিন বেগম, শমীক লাহিড়ী। বেরিয়ে এসে তাঁরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তবে দু’পক্ষই কমিশনের কাছে যে বক্তব্য রেখেছে, তার ‘কমন ফ্যাক্টর’ ভোটের দফা। দু’পক্ষই চেয়েছে বাংলায় যাতে এক কিংবা দু’দফায় ভোট সম্পন্ন হয়।

সিপিএমের তরফে কী কী দাবি রাখা হয়েছে কমিশনের কাছে?

১. মূলত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি- এই বিষয়কে CEC-এর সামনে তুলে ধরা হয়েছে বলে মহম্মদ সেলিম বলেন। সেলিম প্রশ্ন তোলেন, “একটা ভোটার লিস্ট করতে গিয়ে কেন কমিশন মানুষকে শত্রু বানাল? নির্বাচন কমিশন কেন নির্যাতন কমিশন হয়ে গেল?” ভোটের আগে কমিশনকে নিজের সাংবিধানিক সম্মান পুনরুদ্ধার করতে হবে। 

২. বিচারাধীন ৬০ লক্ষ:  এই ৬০ লক্ষ ভোটারকে বাদ দিয়ে ভোটার লিস্ট তৈরি হতে পারে না। সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে, নামের বানান সামান্য ভুল হলে ভোটার  লিস্ট থেকে নাম বাদ যায় না।

৩. সরষের মধ্যে ভূত: আজ কমিশন স্বীকার করেছে, যে সমস্ত প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে কাজ করানো হয়েছিল, তাতে সরষের মধ্যে ভূত ছিল। আমরা বলেছি, যখন স্বীকার করছেন, তখন এক-দু’জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। সেটা জানাতে হবে, তা না হলে তো ভোট আবার তাঁদেরকে দিয়েই করানো হবে।

৪. ফর্ম ৬ : ১৮ বছর হওয়ার পরও যাঁদের নাম তালিকায় উঠল না, তাঁদের নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। কিন্তু ফর্ম ৬ পূরণ করতে হয় অনলাইনে। সেক্ষেত্রে সমাজের পিছিয়ে পড়াদের অসুবিধা। বিএলএ-রা তাঁদের সাহায্য করবে হবে কমিশন আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু সেলিমের বক্তব্য ছিল, বিএলএ এত কাজ করার পরও তো ম্যাপিংয়ে এত সমস্যা হচ্ছে।

৫. এক দফা ভোট: সেলিমের কথায়, “আমরা নির্দিষ্ট দাবি করেছি এক দফায় ভোট হবে। খুব বেশি হলে দু’দফা। ”

৬. ডিলিটেড নাম: সেলিমের কথায় কমিশন জানিয়েছেন, যাঁদের নাম ডিলিট করা হয়েছে, তাঁদেরও সুযোগ দিতে হবে।

৭. নিরপেক্ষতা: নির্বাচন কমিশন যাতে পক্ষপাতদুষ্ট না হয়, সেই স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।

বিজেপির তরফে কী কী দাবি রাখা হয়েছে? 

১. কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চ থেকে CEC জ্ঞানেশ কুমারের আঙুল কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে রবিবারই কমিশনের কাছে কল্যাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে চিঠি করে বিজেপি। এবার CEC জ্ঞানেশ কুমারকে সরাসরি কল্যাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলল বিজেপি-র প্রতিনিধি দল।

২. স্পর্শকাতর বুথ: ভোটের আগে বাংলার সমস্ত স্পর্শকাতর বুথগুলিকে চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া। স্পর্শকাতর অশান্ত এলাকায় রুটমার্চ যাতে বেশি করা হয়, তার দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

৩. ভোটের দফা: বাংলায় যাতে এক থেকে দু’দফায় ভোট হয়, সেই দাবি জানানো হয়েছে।

৪. ভয়মুক্ত ভোট: এবারের নির্বাচনে যাতে একুশের ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি ফিরে না আসে, তার জন্য বাংলায় ভোট আবহে ভয়মুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার দাবি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর যথাযথ ব্যবহার চায় বিজেপি।

৫. পুলিশ ওয়েলফেয়ার সংগঠনের অফিস বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

৬. সরকারি অফিসারদের যে ‘তন্ত্র’ কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধেও কড়া-কঠোর পদক্ষেপের দাবি বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের।

Follow Us