Bantala: সন্ধ্যা ৭টা বাজলেই… বানতলায় এভাবেই গায়েব হয়ে যাচ্ছে বিঘা বিঘা জমি
অবাধে চলছে এই মাটি পাচার। গত সোমবার গ্রামের বাসিন্দারা বেশ কিছু লরি এবং ট্রাককে ধরে ফেলে। তারপরেও যে কাজ বন্ধ হয়নি তা বুধবার বিকেলে গিয়েও দেখা গেল। এলাকায় ৩টি জেসিবি রাখা রয়েছে। সকাল থেকে কাজ হলেও, বিকেলে গ্রামের বাসিন্দারা ছুটে আসায় সব কাজ ফেলে পালিয়েছে মাটি মাফিয়ারা।

কলকাতা: ছিল প্রায় ৩২ বিঘা জমি। বর্তমানে রয়েছে মাত্র ১৫ বিঘা। রাতের অন্ধকারে বিধায়ক-কাউন্সিলর বাহিনীর দাপটে ভরাট জমি থেকে ট্রাকে ট্রাকে মাটি উধাও। কলকাতা পুরনিগমের (KMC) ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত বানতলার কালীতলার এই অবস্থায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। পালাবদলের পর কাউন্সিলরের দেখা নেই। তাঁর বাহিনীর অনেকেই পুলিশের হাজতে। একা বিধায়ক বাহিনী দাপটের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছে মাটি চুরির কাজ, অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের।
১০০-র বেশি ট্রাকে মাটি পাচার!
বিধায়ক জাভেদ খানের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে এই এলাকায়। তাঁর বাহিনীর দাপটে অনেকেই মুখ খুলতে পারে না বলে অভিযোগ। পালাবদলের পর সেই চিত্র পাল্টাবে বলে অনেকে মনে করেছিলেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, দাপট ক্রমশ বেড়েছে এই মাটি মাফিয়া বাহিনীর। রাতের অন্ধকার প্রতিদিন একশোর বেশি ট্রাক বা মিনি ট্রাকে করে মাটি পাচার হচ্ছে। মাটি তুলতে তুলতে রীতিমতো ভূমির উপরের স্তর থেকে প্রায় ২০ ফুট গহ্বর তৈরি হয়েছে।
তারপরও অবাধে চলছে এই মাটি পাচার। গত সোমবার গ্রামের বাসিন্দারা বেশ কিছু লরি এবং ট্রাককে ধরে ফেলে। তারপরেও যে কাজ বন্ধ হয়নি তা বুধবার বিকেলে গিয়েও দেখা গেল। এলাকায় ৩টি জেসিবি রাখা রয়েছে। সকাল থেকে কাজ হলেও, বিকেলে গ্রামের বাসিন্দারা ছুটে আসায় সব কাজ ফেলে পালিয়েছে মাটি মাফিয়ারা।
মাটি পাচারের পিছনে কার হাত?
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বিজেপির যুব মোর্চার সদস্যরা এসে রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কলকাতা পুলিশের আনন্দপুর থানার অন্তর্গত এই এলাকায় রাতের অন্ধকারে এভাবে মাটি পাচার হচ্ছে, কার ইন্ধনে? কে রয়েছে এত বড় মাটি পাচারের পিছনে? কোটি কোটি টাকা প্রতিদিন উড়ছে এই মাটি পাচার চক্রের সঙ্গে। পুলিশ কেন কোনও পদক্ষেপ করতে পারছে না, সেই প্রশ্নই তুলেছেন বাসিন্দারা।
