Mamata Banerjee: একুশে জুলাই কোথায় হবে? তৃণমূল কর্মীদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা
Mamata Banerjee July 21 Martyrs' Day: মমতা ফেসবুক লাইভে বিদ্রোহীদের নিশানা করার পর ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা বলেন, "কালীঘাটে দমবন্ধ পরিবেশে কেউ বেশিদিন থাকতে পারছেন না। তাই তো চন্দ্রিমাদির মতো বর্ষীয়ান নেত্রীও চলে এলেন। আমরা গত ২২ জুন দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে যে পদাধিকারী ঠিক করেছিলাম। এখনও তাঁরাই রয়েছেন। কিন্তু, কালীঘাটে প্রত্যেকদিন পদে অন্যজন বসছে।"

কলকাতা: একুশে জুলাই শহিদ দিবস পালন করতে চায় ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। কিন্তু, ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে শহিদ দিবস পালন করা যাবে না বলে দুই পক্ষকেই জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। আবার ৩০ অগস্ট পর্যন্ত মধ্য কলকাতায় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাহলে কোথায় পালিত হবে শহিদ দিবস? এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, একুশে জুলাই পালন হবেই। দরকারে রিকশায় দাঁড়িয়েও শহিদ দিবস পালন হবে।
কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
শনিবার ফেসবুক লাইভে একুশে জুলাই নিয়ে মমতা বলেন, “একুশে জুলাই শহিদ স্মরণ হবে। পুলিশ অনুমতি দেয়নি। ভাবুন, তৃণমূলের অনুষ্ঠান বন্ধ করতে অগস্ট পর্যন্ত মধ্য কলকাতায় জমায়েত করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। কেন করছেন এসব? রিকশায় দাঁড়িয়ে হলেও একুশে জুলাই পালন হবে। আপনারা ট্রেনে, বাসে আসতে দেবেন না। আমি সব কারসাজি জানি। কিন্তু, হৃদয় যখন নাড়া দেয়, কোনও বাধাই বাধা হয় না। একুশে জুলাই হবে। কোনখানে হবে, সেটা পুলিশের কাছে অনুমতি পেলে জানিয়ে দেব।” তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, “নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। চিন্তা করবেন না। আমরা আছি। ছিলাম। থাকব। যতদিন বাঁচব, মানুষের জন্য বাঁচব, কর্মীদের জন্য বাঁচব।”
গতকাল কলকাতার মেট্রোপলিটনে তৃণমূলের অফিসে তালা দেওয়া নিয়েও এদিন মুখ খোলেন মমতা। বলেন, “ওই অফিস ভাড়ায় নেওয়া ছিল। ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের নেওয়া ছিল। কেউ কেউ বলছেন, আমার নামে। আমি সই করেছিলাম। তাঁকে বলি, ব্যক্তিগতভাবে সই করেননি। পার্টি অনুমোদন করেছিল বলে সই করেছিলেন। এটা প্রতিষ্ঠানগত সম্পত্তি। ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। আর প্রতি মাসে ভাড়ার টাকা দেওয়া হয়েছে। রীতিমতো চেকে এক লক্ষ টাকা ভাড়া দিই। বিদ্যুতের বিল দিই আমরা। তার নথি রয়েছে। একটা বাড়ি তালা দিতে পারবেন। কিন্তু, মানুষের হৃদয়ে তালা দিতে পারবেন না। এফআইআর-ও করা হয়েছে। কেন তালা দিলেন?”
কী বললেন সন্দীপন সাহা?
এদিন মমতা ফেসবুক লাইভে বিদ্রোহীদের নিশানা করার পর ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা বলেন, “কালীঘাটে দমবন্ধ পরিবেশে কেউ বেশিদিন থাকতে পারছেন না। তাই তো চন্দ্রিমাদির মতো বর্ষীয়ান নেত্রীও চলে এলেন। আমরা গত ২২ জুন দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে যে পদাধিকারী ঠিক করেছিলাম। এখনও তাঁরাই রয়েছেন। কিন্তু, কালীঘাটে প্রত্যেকদিন পদে অন্যজন বসছে।”
