Manish Gupta Quits TMC: তৃণমূল ছাড়ছেন মণীশ গুপ্ত, শুভেন্দুর প্রশংসা করে বললেন, ‘বাংলার উন্নয়ন কেউ আটকাতে পারবে না’
TMC News: মণীশ গুপ্ত বলেন, "আমি তৃণমূলে এলেও আমাকে গত পাঁচ বছর ধরে বসিয়ে রাখা হয়েছে। আমাকে ব্যবহার করেনি। আক্ষেপ বলবো না। তবে এই ধরনের অনেক কারণ তো রয়েছেই। একই সঙ্গে বয়স একটা বড় বিষয়। তাই তৃণমূল তো ছাড়ছি। রাজনীতিও ছেড়ে দিচ্ছি।"

সৌরভ গুহর ইনপুট
কলকাতা: চরম অস্তিত্ব সঙ্কটে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। একে তো দল ভেঙে টুকরো টুকরো হয়েছে। অন্যদিকে, দল থেকে ইস্তফার হিড়িক। এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে রাজনীতি ছাড়তে চলেছেন দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূলের চেয়ারম্যান মণীশ গুপ্ত (Manish Gupta)।
আজ, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন রাজ্যের তৃণমূল আমলের বিদ্যুৎ মন্ত্রী মণীশ গুপ্ত। তিনি সাফ জানান, শুধু তৃণমূল কংগ্রেস নয়, রাজনীতিই ছেড়ে দিচ্ছেন। তবে এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইস্তফা জমা দেননি বলেই সূত্রের খবর।
কী কারণে তৃণমূল ছাড়ছেন মণীশ গুপ্ত?
মণীশ গুপ্ত বলেন, “আমি তৃণমূলে এলেও আমাকে গত পাঁচ বছর ধরে বসিয়ে রাখা হয়েছে। আমাকে ব্যবহার করেনি। আক্ষেপ বলবো না। তবে এই ধরনের অনেক কারণ তো রয়েছেই। একই সঙ্গে বয়স একটা বড় বিষয়। তাই তৃণমূল তো ছাড়ছি । রাজনীতিও ছেড়ে দিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “৮৫ বছর বয়স হল। আর রাজনীতি করব না বলে ঠিক করেছি। আমি কোনও শিবিরে নেই, আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব ঠিক করেছি।”
প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যখন মহাকরণ অভিযান চলছিল, যেই অভিযানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘আক্রান্ত’ হয়েছিলেন, তখন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন মণীশ গুপ্ত। যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভকারীদের উপর গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়ার ঘটনায় বারবার মণীশ গুপ্তের নাম জড়িয়েছিল, তুমুল বিতর্কও হয়েছিল। তবে ২০১১ সালে পালাবদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসেই তিনি যোগ দেন। তাঁকে বিধায়ক ও মন্ত্রীও করা হয়। এই নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। এবার ২১ জুলাইয়ের আগেই দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করলেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা-
রাজ্যে পালাবদলের পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেন মণীশ গুপ্ত। তিনি বলেন, “বর্তমানে যিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর মতো দক্ষ প্রশাসক বাংলা পায়নি। যেভাবে কাজ করছেন, তাতে বাংলার উন্নয়ন কেউ আটকাতে পারবে না। একের পর এক নিয়ম দক্ষ হাতে প্রশাসক সামলাচ্ছেন। একজন দক্ষ মুখ্যমন্ত্রী পেয়েছে বাংলা।”
