AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Trinamool-BJP-CPIM: রাষ্ট্রপতি বিতর্কে তপ্ত ভোটবঙ্গ, ঝাঁঝ বাড়াছে তৃণমূল-বিজেপি-সিপিএম

President Draupadi Murmu: শিলিগুড়ি সফরে ব্যবস্থাপনা ঘিরে প্রশাসনিক উদ্যোগে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আর তারপরই ধরনা মঞ্চ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা আদিবাসীদের অপমানের অভিযোগকে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন প্রধানমন্ত্রী, কাঠগড়ায় তুলল পদ্ম শিবির। রাষ্ট্রপতি বললেন, আমার মনে কেউ সাঁওতালদের আটকাচ্ছে।

Trinamool-BJP-CPIM: রাষ্ট্রপতি বিতর্কে তপ্ত ভোটবঙ্গ, ঝাঁঝ বাড়াছে তৃণমূল-বিজেপি-সিপিএম
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর তুঙ্গে Image Credit: TV 9 Bangla
| Updated on: Mar 08, 2026 | 10:25 AM
Share

কলকাতা: রাষ্ট্রপতির শিলিগুড়ি সফর ঘিরে দানা বেঁধেছে রাজনৈতিক বিতর্ক। তা নিয়ে রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এক ব্র্যাকেটে ফেলে নিশান করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী দিলেন আদিবাসী বিরোধী তকমা। পাল্টা বিজেপিকে নিশানা করেলন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে মহুয়া মৈত্র। আরও চড়া হল রাজনীতির সুর। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বললেন, রাষ্ট্রপতিকে দিয়েও রাজনীতি বেচতে পাঠানো হয়েছে। সোজা কথায়, বাংলার ভোটের মুখে দেশের প্রথম নাগরিকের প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে তরজা, চর্চা, বিতর্ক সবই একেবারে তুঙ্গে। 

শিলিগুড়ি সফরে ব্যবস্থাপনা ঘিরে প্রশাসনিক উদ্যোগে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আর তারপরই ধরনা মঞ্চ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা আদিবাসীদের অপমানের অভিযোগকে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন প্রধানমন্ত্রী, কাঠগড়ায় তুলল পদ্ম শিবির। রাষ্ট্রপতি বললেন, আমার মনে কেউ সাঁওতালদের আটকাচ্ছে। কেউ মনে হয় চায় না ওদের উন্নতি হোক, ওরা একজোট হোক। কেউ মনে হয় সাঁওতাল শিক্ষিত হোক, শক্তিশালী হোক। 

এ নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই তৃণমূলের তুলোধনা শুরু করেছে বিজেপি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তো মমতাকে সাফ ‘আদিসাবী বিরোধী’ বলেই তোপ দেগে ফেলেছেন। বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলছেন, “রাষ্ট্রপতি কী বলছেন সেটা আমরা সবাই দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন দুটোকে পাশাপাশি রাখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কে দায়ী। বুঝতে পারবেন কে সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে বলেছে, আর কে সংবিধানের বাইরে গিয়ে বলেছে। ভারতবর্ষের মতো রাষ্ট্র বলে হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে যাচ্ছেন। অন্য দেশ হলে এতক্ষণে জেলের ভিতরে থাকতেন।”

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলছেন, “সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে যাঁরা বসেন তাঁদের এরকম ক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে ঝগড়া করতে হয় না। আসলে এতে পদের মর্ষাদাহানি হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, রাজ্যপালের মতো পদগুলিকে যদি সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়, রাজনৈতিক এজেন্ট হিসাবে ব্যবহার করলে সেটা ভেঙে পড়ে।” 

অন্যদিকে কুণাল ঘোষও চুপ করে নেই। তিনি বলছেন, “রাষ্ট্রপতি যে কথা বলছেন তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তাঁর কথায়, বিজেপি শাসিত রাজ্যে আদিবাসীদের কী অবস্থা সবাই জানে, কিন্তু তা নিয়ে তাঁর মুখে একটাও শব্দ শোনা যায় না। কিন্তু এখানে তাঁকে যাঁরা ভুল তথ্য দিয়েছেন তাঁর উপর দাঁড়িয়ে তিনি সত্যের অপলাপ করেছেন।”