Census in West Bengal: স্কুল শিক্ষকদের জন্য গেল চিঠি, সেন্সাসে অনীহা দেখালে হতে পারে তিন বছরের জেল
School Teachers: গত ১৮ মে গ্যাজেট নোটিফিকেশন জারি হয়েছে। ২০২৭ সালের জনগণনা দুই ধাপে হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রথম ধাপ শেষ করার লক্ষ্য ৩০ সেপ্টেম্বর। এবারের জনগণনায় নাগরিকরা নিজস্ব নথিভুক্তকরণের সুযোগ পাবেন। এরপর জনগণনার আধিকারিকরা প্রত্যেক বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য খতিয়ে দেখবেন।

কলকাতা: এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার পর এবার জনগণনা (Census 2027)। ফের শিক্ষকদের অংশগ্রহণের জন্য গেল চিঠি। রাজ্যে জনগণনা শুরু হওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার সেই কাজে বাধ্যতামূলকভাবে অংশ নেওয়ার জন্য শিক্ষকদের চিঠি পাঠানো হল। কলকাতা পুরনিগমের (KMC) তরফ থেকে জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসে গিয়েছে এই চিঠি।
চিঠিতে শিক্ষকদের কী নির্দেশ দেওয়া হল?
চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত করতে হবে। যাঁরা এই কাজে অনীহা প্রকাশ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হতে পারে জরিমানা এবং জেলও।
চিঠিতে বলে দেওয়া হয়েছে, ২০২৭ সালের জনগণনা (Census-2027)-এর কাজে শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও ক্লার্কদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। কোনও যুক্তি না দিয়েই জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করলে সেন্সাস অ্যাক্ট, ১৯৪৮ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। যদিও জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিস সূত্রের খবর, পঠনপাঠনের স্বার্থে কিছু শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হতে পারে। তবে কলকাতা পুরনিগম এ ব্যাপারে কোনওরকম অনুরোধ আবেদন শুনতে নারাজ।
চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শিক্ষকদের জনগণনার কাজ করা আবশ্যিক। কোনওরকম অনীহা করা চলবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের আইন অনুযায়ী, এই দায়িত্ব বাধ্যতামূলকভাবে পালন করতে হবে। চিঠির শেষে জেলা স্কুল পরিদর্শককে অনুরোধ করা হয়েছে, তিনি যেন নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে এই বিষয়ে জানিয়ে দেন।
