Suvendu Adhikari: ১৬৩ ধারার মধ্যেই নাজিরাবাদে যাচ্ছেন শুভেন্দু, অনুমতি আদালতের
Suvendu Adhikari: পুলিশের তরফ থেকে শুভেন্দুর মিছিলে অনুমতি দেওয়া হয়নি। নরেন্দ্রপুর থানা যে একটি ইমেল করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যে রুটে মিছিল করার আবেদন করা হয়েছে, সেই রুটে একাধিক হাসপাতাল, স্কুল রয়েছে। মিছিল হলে যানজট হতে পারে। উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত জরুরি পরিষেবার গাড়ি, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা যাতায়ত করছেন।

কলকাতা: ‘জতুগৃহ’ আনন্দপুরে নাজিরাবাদে যাওয়ার অনুমতি পেলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুকে নরেন্দ্রপুরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। তবে তাঁর রুট পরিবর্তন করতে হবে তাঁকে। দুই হাজার সমর্থক নিয়ে মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গড়িয়া শীতলা মন্দির থেকে বাইপাস হয়ে নরেন্দ্রপুর থানার আগে পর্যন্ত মিছিল করতে পারবেন শুভেন্দু। বৃহস্পতিবার ১১ টা থেকে সাড়ে তিনটে পর্যন্ত মিছিল করবেন শুভেন্দু। রাজ্য রুট পরিবর্তন করে অনুমতি দিতে চাইলে আপত্তি করেনি বিজেপি। তারপরেই অনুমতি।
পুলিশের তরফ থেকে শুভেন্দুর মিছিলে অনুমতি দেওয়া হয়নি। নরেন্দ্রপুর থানা যে একটি ইমেল করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যে রুটে মিছিল করার আবেদন করা হয়েছে, সেই রুটে একাধিক হাসপাতাল, স্কুল রয়েছে। মিছিল হলে যানজট হতে পারে। উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত জরুরি পরিষেবার গাড়ি, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা যাতায়ত করছেন। মিছিল করলে সমস্যা হবে। তাই অনুমতি খারিজ।
গুদামের ১০০ মিটারের মধ্যে জারি করা হয়েছে এই ধারা। মিছিল, জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নোটিসে দাবি করা হয়েছে, তথ্যপ্রমাণ লোপাট, তদন্তের কাজে বাধা, উদ্ধারকাজে বাধা যাতে না আসে সেজন্য এই ধারা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগুন লাগার চতুর্থ দিনের পর জারি ১৬৩ ধারা করা হয়। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যাওয়ার আগেই কেন ১৬৩ ধারা? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন শুভেন্দু। তিনি লেখেন, “দানবীয় নির্দেশ জারি করে আটকানোর লজ্জাজনক চেষ্টা চলছে।”
