চালু হয়েছে ‘দুয়ারে নর্দমা’ প্রকল্প, শহরবাসীকে ‘খোঁজ’ দিলেন শুভেন্দু
Suvendu Adhikari BJP: শহরবাসী তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কারণেই এই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলেও ঘুরিয়ে কটাক্ষ করেন তিনি
কলকাতা: শহর তথা গোটা দক্ষিণবঙ্গের জল যন্ত্রণা নিয়ে রাজ্য সরকারকে এ বার বিরাট খোঁচা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে নাগাড়ে বর্ষণের জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য বর্তমান শাসকদলকের একহাত নেন বিরোধী দলনেতা। শহরবাসী তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কারণেই এই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলেও ঘুরিয়ে কটাক্ষ করেন তিনি। খোঁচার সুরে শুভেন্দু বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালুর আগেই রাজ্যে দুয়ারে নর্দমা প্রকল্প চালু হয়েছে।”
নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, “কলকাতা তো লন্ডন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। শাসকদল এখানে ১১ টা আসনই জিতেছে। কলকাতার মানুষই সব দেখুন, কাদেরকে ভোট দিয়ে তাঁরা জেতালেন। কলকাতাকে আদর্শ নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি তো প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন। সেই মানুষই তৃণমূলের উপর আস্থা রেখে ১১ টা আসন জিতিয়েছে, তাই কলকাতার মানুষজনই দেখুন। ইয়াসের পর বলা হচ্ছিল দুয়ারে গঙ্গা। এখন সবাই বলছে, দুয়ারে নর্দমার জন। হয়তো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু হওয়ার আগে এই প্রকল্প চালু হয়েছে।”
মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ নিয়ে শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের শুনানি ছিল বিধানসভায় স্পিকারের ঘরে। সেই শুনানি শেষ করে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, অধ্যক্ষ আগামী ১৭ অগস্ট পরবর্তী শুনানির দিনক্ষণ নির্ধারিত করেছেন। তবে অনির্দিষ্টকাল ধরে যাতে এই শুনানি না চলে সেই বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত হতে ফের একবার আইনের পথ হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন তিনি।
তবে উপনির্বাচনের প্রশ্নে এখনও আগের অবস্থানই বজায় রেখেছেন এই বিরোধী নেতা। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা ও নবান্নের বিধিনিষেধ বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তিতে হাতিয়ার করে তিনি বলেন, “রাজ্য নিজেই স্বীকার করে নিয়েছে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেই। রাজনৈতিক মিটিং, মিছিল করা যাবে না। এই অবস্থায় উপনির্বাচন কীভাবে সম্ভব। নন এমএলএ মুখ্যমন্ত্রী বরং পদত্যাগ করে অন্য কাউকে এই আসনে বসার সুযোগ করে দিন।” আরও পড়ুন: কাটল ‘পাওয়ার’ জট, মমতার কাছে দিল্লি আর ‘দূর’ নয়