AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee-Kalyan Banerjee: কল্যাণকে ছেঁটে ফেলতে চাইছেন মমতা?

Kalyan Banerjee's Suspension: বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর যখন সবাই একে একে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আলাদা শিবির তৈরি করেছেন, তাতে সামিল হয়েছেন, তখন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিরোধ প্রকাশ্যে এলেও, মমতাকে সেভাবে আক্রমণ করেননি কল্যাণ।

Mamata Banerjee-Kalyan Banerjee: কল্যাণকে ছেঁটে ফেলতে চাইছেন মমতা?
কল্যাণ ও মমতার সম্পর্কে ফাটল?Image Credit: PTI
| Updated on: Jul 23, 2026 | 2:03 PM
Share

কলকাতা: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়(Kalyan Banerjee)-কে কি ছেঁটে ফেলতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)? ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে প্রকাশ্যে বিরোধই কি সম্পর্কের তার ছিড়ল দু’জনের মধ্যে? এই প্রশ্নই এখন উঠছে। এর কারণও রয়েছে। কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) সাসপেনশন নিয়ে দলের নেত্রী মুখ খুললেও, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাসপেনশন নিয়ে চুপ। তবে কি কল্যাণের সঙ্গে আর সম্পর্ক রাখতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

সময়টা খারাপ যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের। বলা ভালো, কালীঘাট পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের। কারণ এখন তৃণমূল বহু খণ্ডে বিভক্ত। আসল-নকল তৃণমূলের লড়াইয়ের মাঝেই সংসদের বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, রাজ্যের বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন কুণাল ঘোষ।

কুণাল ঘোষের সাসপেনশনের কিছুক্ষণ পরই দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে প্রতিবাদে সরব হন। দীর্ঘ ফেসবুক পোস্ট করেছেন। অথচ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভা থেকে সাসপেন্ড হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার করে গেলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা শব্দ বলেননি। তবে কি ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে বিবাদ এবং তারপর দলনেত্রীর বিরুদ্ধে মুখ খোলা নিয়েই মমতার বিরাগভাজন হলেন কল্যাণ?

এই নিয়ে ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “খুবই দুর্ভাগ্যজনক। বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, আমি জানি না কেন সরব হননি এতদিন। সত্যি কথা বলতে এর কোনও ব্যাখ্যা নেই আমার কাছে। তবে কল্যাণদার আগেরদিন যে বক্তব্য শুনছিলাম মিডিয়াতে, তাতে মনে হচ্ছিল যে উনি খুব আহত হয়েছেন, কোথাও একটা তিনি দুঃখ পেয়েছেন। দলের কাছে সম্মান পাচ্ছেন না। সেটারই প্রতিফলন হিসাবে এটা কি না, জানি না। তবে সেদিনের ঘটনায় উনি খুবই অখুশি ছিলেন, তা স্পষ্ট।”

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর যখন সবাই একে একে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আলাদা শিবির তৈরি করেছেন, তাতে সামিল হয়েছেন, তখন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিরোধ প্রকাশ্যে এলেও, মমতাকে সেভাবে আক্রমণ করেননি কল্যাণ। তবে এইবারের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে বক্তব্য রাখা নিয়ে দুইজনের মধ্যে প্রকাশ্যেই যে বাদানুবাদ হয়, তাতে দলনেত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। বলেন যে তিনি দিদিকে ভালোবাসেন, কিন্তু তৃণমূল নেত্রীকেও বুঝতে হবে। না হলে দল শেষ হয়ে যাবে। এরপরই কি দূরত্ব বাড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ না খুললেও, কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের বাকি নেতারা কল্যাণের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। কুণাল ঘোষ গতকালই জানিয়েছেন যে সংসদে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ১০০ শতাংশ ঠিক। অন্যদিকে আজ মহুয়া মৈত্রও দাবি করেছেন যে কল্যাণের সাসপেনশন অনৈতিক। তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

তৃণমূলের অন্দরে মান-অভিমানের পালা চলতেই থাকে। মমতা-কল্যাণের দূরত্বও কি সেই মান-অভিমানের অংশ নাকি সম্পর্কে সত্যি সত্যি ফাটল ধরেছে? তা বলবে সময়ই।

Follow Us