MLA Mobile: সত্যিই বিধানসভা থেকে ‘চুরি’ হয়েছিল হুমায়ুনের আইফোন? ঘণ্টাখানেকের মধ্যে উদ্ধার বালিশের নিচ থেকে
Humayun Kabir: ঘণ্টা বাজতেই সোফার উপর ফোন রেখে চলে গিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। মনে পড়তেই আবার সোফায় ফিরে যান ভরতপুরের বিধায়ক। ততক্ষণে উধাও ফোন।

কলকাতা: বিধানসভার লবি থেকেই চুরি হয়ে গেল বিধায়কের মোবাইল। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের ফোন কার হাতে গেল! তা এখনও স্পষ্ট নয়। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ ওই ঘটনা ঘটে। বাজেট অধিবেশন চলায় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন সব বিধায়ক। কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থাও রয়েছে বিধানসভা চত্বরে। তার মধ্যে কীভাবে এমন একটি ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ পর্যন্ত সেই ফোন ফিরে পেয়েছেন বিধায়ক।
ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর অন্যান্য দিনের মতোই এদিন লবিতে গিয়ে সোফায় বসেছিলেন। কিছুক্ষণ পর হাজিরার খাতায় সই করতে উঠে যান। তখনও তাঁর হাতে ধরা ছিল দুটি মোবাইল। এরপর আবারও সোফায় গিয়ে বসে পড়েন তিনি। বিধায়ক জানিয়েছেন, সকাল ১১টায় নিয়মমাফিক ঘণ্টা বাজতেই অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন তিনি। কক্ষে গিয়েই তিনি দেখেন, তাঁর একটা ফোন হাতে ধরা, অন্য ফোনটি নেই।
এরপর সোফায় সেটা খুঁজতে যান বিধায়ক। গিয়ে দেখেন ফোনটা নেই। বিধায়ক জানিয়েছেন, হারিয়ে যাওয়া ফোনটি ছিল আইফোন ১৩ মডেলের। তাতে ফেস লক করাও রয়েছে। অর্থাৎ বিধায়ক নিজে মুখের প্রতিচ্ছবি দিয়ে লক করে রেখেছেন, ফলে সেটা আর কারও পক্ষে খোলা সম্ভব নয় বলেই দাবি তাঁর। এরপর পুলিশকে বিষয়টা জানান তিনি। খবর দেওয়া হয় হেয়ার স্ট্রিট থানাতেও।
বিধায়কের ফোন চুরির খবর শুনে বিজেপি নেতা তথা কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূলের লোকই চুরি করেছে।’ তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কী এমন তথ্য আছে ওঁর ফোনের ভিতরে?
ঘণ্টাখানেক পরে পুলিশ লোকেশন ট্র্যাক করে ওই ফোন খুঁজে বের করা হয়। তবে কোথা থেকে ফোনটি পাওয়া গেল, তা স্পষ্ট করেননি বিধায়ক। তিনি জানান, এই ঘটনাকে চুরি বলে উল্লেখ করা যাবে না। সূত্রের খবর, ফোনটি নাকি বিধায়ক হস্টেলে বালিশের নিচে ছিল। সেখান থেকেই শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হয়।
