Calcutta High Court: ‘অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করুক হাইকোর্ট’, কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে এবার মামলা কল্যাণের, দ্রুত শুনানির আবেদন
West Bengal Assembly Election: ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের করা প্রশাসনিক রদবদল নতুন নয়। তবে এবার রাজ্যের একাধিক আইএএস, আইপিএস এমনকী স্বরাষ্ট্রসচিব পদ থেকে সদ্য বদলি করা জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও পাঠানো হয়েছে ভিনরাজ্যে।

কলকাতা: কখনও সকালে, কখনও গভীর রাতে আসছে নোটিস। বদলি করে দেওয়া হচ্ছে একের পর এক অফিসারকে। মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে জেলাশাসক, রাজ্য পুলিশের ডিজি থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার, একাধিক স্তরে বদলির নোটিস দেওয়া হয়েছে। অনেক অফিসারকে ভিনরাজ্যে অবজারভার করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একাধিক চিঠি পাঠিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার সেই ইস্যু গড়াল কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত।
রাজ্যের আইএস, আইপিএস অফিসারদের অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন সংঘটিত করা, কিন্তু প্রশাসনে সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে স্থানান্তরের অধিকার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নেই বলে দাবি করা হয়েছে আবেদনে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ওপরে স্থগিতাদেশ জারি করুক কলকাতা হাইকোর্ট, এমনই আবেদন কল্যাণের। তাঁর দাবি, এতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হয়।
এই আবেদন নিয়ে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মামলার দ্রুত শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।
মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। তবে প্রশ্ন উঠেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কোনও সিদ্ধান্তে কি স্থগিতাদেশ দিতে পারে হাইকোর্ট? হাইকোর্ট ও নির্বাচন কমিশন দুটোই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সে ক্ষেত্রে কমিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট কোনও অভিযোগ শুনতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
