Suvendu Adhikari: ‘কাশ্মীর সোজা করে দিয়েছে…’, শুভেন্দুর মন্তব্যে অভিযোগ দায়ের, মনোনয়ন বাতিল করার দাবি তৃণমূলের
TMC complaint against Suvendu Adhikari: আদতে ভোটারদের উপর হামলা চালাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে রাজ্যের বর্তমান শাসক দল। শান্তিপূর্ণ ভোটে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক, তাঁর বিরুদ্ধ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হোক।

কলকাতা: ভোটের আবহে সরগরম গোটা রাজ্য। সবার নজর রয়েছে ভবানীপুরের দিকে। এবার সেই ভবানীপুরের প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানাল তৃণমূল। ভোটারদের উপর হামলা করার উস্কানি দিচ্ছে বলে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের। গত ৩১ মার্চ শুভেন্দুর করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযোগ জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা। পরে বিজেপিপন্থী বিএলও-দেরও দেখা যায়। দু’পক্ষের মধ্যে রীতিমতো সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভেঙে দেওয়া হয় একের পর এক বাইক। সামাল দিতে নামানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওইদিনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে ‘সোজা করানো’ দরকার বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু বলেন, “বিএনএসের ১৬৩ ধারা লাগিয়ে দিতে হবে। ওদের (কেন্দ্রীয় বাহিনী) হাতে তো লাঠি আছে, বন্দুক ব্যবহারের দরকার নেই। মারলে সোজা হয়ে যাবে। কাশ্মীর সোজা করে দিয়েছে, এখানেও করতে হবে। সিপি এখনও বুঝতে পারছেন না কী হচ্ছে। কলকাতা পুলিশ এখনও সোজা হয়নি। নির্বাচন কমিশনকেও বলব। অজয় নন্দা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না বা ঢুকতে চাইছেন না।”
ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে অজয় নন্দাকে বসায় নির্বাচন কমিশন। তাঁর সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু দাবি করেন, অজয় নন্দা অন্য কোনও এক অফিসারের কথায় চলছে।
বিজেপি প্রার্থীর এমন সব মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল। আদতে ভোটারদের উপর হামলা চালাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে রাজ্যের বর্তমান শাসক দল। শান্তিপূর্ণ ভোটে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক, তাঁর বিরুদ্ধ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হোক। এছাড়া, প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু মনোনয়ন বাতিল করার আর্জিও জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই ভবানীপুরে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গী হতে রাজ্য়ে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
