CEO office: রাতেও CEO অফিসের সামনে জমায়েত তৃণমূলের, কড়া বার্তা দিল মনোজের দফতর
SIR in Bengal: গতকাল রাতে সিইও মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক বৈঠক করেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ। এরপর বাইরে বেরিয়ে হেয়ার স্ট্রিট থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেন। কীভাবে এত জমায়েত রয়েছে, সেসব জানতে চান। কেন্দ্রীয় বাহিনীও ঘটনাস্থলে আসে।

কলকাতা: দিনে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের গন্ডগোল বেধেছিল সিইও দফতরের সামনে। রাতেও সিইও দফতরের সামনে থেকে সরলেন না তৃণমূল কর্মীরা। কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেন। অবস্থানরত তৃণমূল কর্মীদের দাবি, সিইও দফতরে যাতে অবৈধভাবে ফর্ম ৬ জমা না পড়ে এবং এখান থেকে কোনও কিছু বের করে না নিয়ে যাওয়া হয়, সেজন্য রাতে তাঁরা অবস্থান করছেন। আবার রাতে সিইও দফতরের সামনে স্লোগান দেওয়া নিয়ে বুধবার সকালে কড়া বার্তা দিল মনোজ আগরওয়ালের দফতর। জানাল, “এই ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না।”
মঙ্গলবার দুপুর থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল সিইও দফতরের সামনে। তৃণমূলের অভিযোগ, অবৈধভাবে নাম ঢোকাতে ফর্ম ৬ জমা দিচ্ছে বিজেপি। সিইও দফতরের সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। রাতেও সিইও দফতরের সামনে বসে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। সিইও দফতরের আসেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ। কলকাতা পুলিশের পদস্থ আধিকারিকদেরও সেখানে দেখা যায়।
সিইও দফতরের সামনে ১৬৩ ধারা লাগু থাকা সত্ত্বেও তৃণমূলের বিশাল জমায়েত নিয়ে পুলিশের সঙ্গে অবস্থানকারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে জমায়েতকারীরা কিছুটা সরে যান। উত্তর কলকাতা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি শান্তিরঞ্জন কুন্ডু বলেন, “রাজ্যের বৈধ ভোটারদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। আর অবৈধভাবে উত্তর প্রদেশ, বিহারের মানুষের নাম ঢোকানো হচ্ছে ভোটার তালিকায়। সিইও অফিসে যাতে কেউ অবৈধভাবে ফর্ম ৬ জমা দিতে না পারে এবং এখান থেকে বাইরে কোনও কিছু না যেতে পারে, সেজন্য আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছি।” গতকাল রাতে সিইও মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক বৈঠক করেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। এরপর বাইরে বেরিয়ে হেয়ার স্ট্রিট থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেন। কীভাবে এত জমায়েত রয়েছে, সেসব জানতে চান। কেন্দ্রীয় বাহিনীও ঘটনাস্থলে আসে।
তৃণমূলের এই জমায়েত নিয়ে বুধবার সকালে ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডলে সিইও দফতর লিখেছে, “বেলেঘাটার কাউন্সিলর দুষ্কৃতীদের নিয়ে গভীর রাতে সিইওর অফিস ঘেরাও করে স্লোগান দেন। এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না এবং আইন নিজের পথে চলবে। অবাধ ও সুষ্ঠু বিধানসভা নির্বাচন নিশ্চিত করতে কোনও ত্রুটি রাখবে না নির্বাচন কমিশন।”
