Suvendu Adhikari: ভোটার নেমে এসেছে ১ লক্ষ ৬০ হাজারে, ভবানীপুরে জয় নিয়ে কেন আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু?

West Bengal Assembly Election 2026: ভবানীপুরে প্রার্থী হওয়ার পরই ২৫ হাজার ভোটে জয়ের কথা বলেছিলেন শুভেন্দু। এদিন টিভি৯ বাংলাকে তিনি বলেন, "আমি প্রথম দিন বলেছিলাম, আমি আশাবাদী। কিন্তু, এখনই এগুলো বলছি না। জনগণের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। প্রথম দিন উৎসাহিত হয়ে আশা করেছি। আমার আশা নিশ্চয় পূরণ হবে।"

Suvendu Adhikari: ভোটার নেমে এসেছে ১ লক্ষ ৬০ হাজারে, ভবানীপুরে জয় নিয়ে কেন আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু?
শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 23, 2026 | 8:10 PM

কলকাতা: পাঁচ বছর আগে ছিল নন্দীগ্রাম। এবার মেগা ডুয়েল ভবানীপুরে। সেই লড়াইয়ের ফল কী হবে, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। গতকাল আবার ভবানীপুরে তৃণমূলের কর্মিসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জেতাতে হবে। দলের কাউন্সিলর, নেতাদের বাড়ি বাড়ি প্রচারে যেতে বলেছেন। এই আবহে কী ভাবছেন ভবানীপুরে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী? টিভি৯ বাংলায় অকপট ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী। মুখ খুললেন নন্দীগ্রাম ও রাজ্যজুড়ে তাঁর প্রচার নিয়েও। কী বললেন তিনি?

পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার মমতার ‘ঘরে’ লড়াই। তবে শুভেন্দু ভবানীপুরে প্রার্থী হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভয় পেয়েছেন? প্রশ্ন শুনেই ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী বলেন, “সে আমি বলতে পারব না। এমনিতে উনি বিজেপিকে ভয় পান। নির্বাচন কমিশনকে ভয় পান। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভয় পান। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে ভয় পান।”

ভবানীপুরে তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ নেই জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূলের সঙ্গে জনগণ নেই। জন সমর্থন নেই। উনি ভবানীপুরের একটা বড় অংশের ভোটারকে বহিরাগত বলেছেন। তাহলে সেই বহিরাগতরা ওঁকে ভোট দেবেন, উনি আশা করেন কী করে? উনি এখানে আরবি সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চান। ভোট দেবেন কী করে? ওঁকে রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরা ভোট দেবেন কী করে, উনি তাঁদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করেছেন। তাই আতঙ্কিত। চিন্তিত। জনবিচ্ছিন্ন হলে যা হয় তাই হয়েছে। ওঁর দুটো পিলার। একটা পুলিশ। আর একটা আইপ্যাক। দুটো পিলারের মধ্যে কারও সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক নেই। এর আগে কোনও দলের প্রার্থীকে প্রচার করতে দেয়নি। কিন্তু, আমি প্রচার করছি। করব। ধীরে ধীরে গতি বাড়াব।”

ভবানীপুরের পাশাপাশি এবার নন্দীগ্রামেও প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। অন্য জায়গায় প্রচারের সময় পাবেন? প্রশ্ন শুনেই বললেন, “রাজ্যেও ঘুরব। মাঝে মাঝে নন্দীগ্রামেও যেতে হবে। আমার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা আর অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় বিশেষ নজর রাখতে হবে। ভবানীপুরেও চেষ্টা করব, যতটা এলাকা, ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যায়। বিশিষ্টজনদের বাড়িতে পৌঁছনোর চেষ্টা করব। মঠ, মন্দির, গুরুদ্বারে গিয়ে প্রার্থনার চেষ্টা করব।”

ভবানীপুরে প্রার্থী হওয়ার পরই ২৫ হাজার ভোটে জয়ের কথা বলেছিলেন শুভেন্দু। এদিন টিভি৯ বাংলাকে তিনি বলেন, “আমি প্রথম দিন বলেছিলাম, আমি আশাবাদী। কিন্তু, এখনই এগুলো বলছি না। জনগণের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। প্রথম দিন উৎসাহিত হয়ে আশা করেছি। আমার আশা নিশ্চয় পূরণ হবে। আমি দীর্ঘদিন রাজনীতি করছি। মানুষের নাড়ি বুঝি। ওখানে ভুয়ো ভোট বাদ গিয়েছে। ২ লক্ষ ৫ হাজার ভোট নেমে এসেছে ১ লক্ষ ৬০ হাজারে। সবমিলিয়ে একটা পরিচ্ছন্ন ভোটার তালিকা হয়েছে। ভয়মুক্ত পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে খারাপ কিছু হবে না।” তৃণমূলের কাউন্সিলরদের বাড়ি বাড়ি প্রচার নিয়ে তাঁর কটাক্ষ, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যত কাউন্সিলরদের নিয়ে ঘুরবেন, ততই আমার মঙ্গল হবে। কারণ এই কাউন্সিলররা টাকা নেননি, অত্যাচার করেননি, এমন হয়নি।”

Follow Us