WB Budget 2026: স্রেফ লক্ষ্মীর ভান্ডার কিংবা বেকার ভাতা নয়! বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য়ও বিরাট আর্থিক সুখবর, দাবি মানল সরকার
WB Budget 2026: চন্দ্রিমা বলেন, "রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের প্রয়োজন ও স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীল আমরা। এটাই আমাদের সরকারের সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা নীতি প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর থাকার মেয়াদ ৩১শে ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত হয়েছে। রাজ্য সরকারের সকল কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত সমস্ত দিক পর্যালোচনার জন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে।"

কলকাতা: দীর্ঘ দিন ধরেই প্রাপ্যের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সরকারি কর্মীদের সংগ্রাম যৌথ মঞ্চ। তাঁদের মূল বক্তব্য বকেয়া ডিএ প্রদান,( যেটা বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, বকেয়া ডিএ-এর ২৫ শতাংশ এখনই দিতে হবে রাজ্যকে) আর দ্বিতীয়ত, সপ্তম পে কমিশন গঠন। বৃহস্পতিবার বাজেটে রাজ্যের সরকারের তরফে চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে লাগু হবে। পাশাপাশি সপ্তম পে কমিশন গঠনের কথাও ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
চন্দ্রিমা বলেন, “রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের প্রয়োজন ও স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীল আমরা। এটাই আমাদের সরকারের সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা নীতি প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর থাকার মেয়াদ ৩১শে ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত হয়েছে। রাজ্য সরকারের সকল কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত সমস্ত দিক পর্যালোচনার জন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে।” রাজ্য সরকারের পেনশনভোগীদের স্বার্থ ও কল্যাণের বিষয়টিও এই কমিশনের বিবেচনাধীন থাকবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
রোপা ২০১৯-এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫-এর ডিসেম্বরে। সেই প্রেক্ষিতে অবিলম্বে সপ্তম পে কমিশন গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিল সরকারি কর্মীদের সংগঠন। তাদের দাবি ছিল, পে কমিশনের সুপারিশ যেন ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়। এবার সপ্তম পে কমিশন গঠনের কথা ঘোষণা করল সরকার।
সপ্তম পে কমিশনের প্রধান সুবিধা রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেসিক বেতনের অনেকটাই বাড়বে। সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরনো বেতন × 2.57 ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ধরে নতুন বেসিক নির্ধারিত হয়। ডিএ-ও হিসাব হবে নতুন বেসিকের ওপরেই। ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সুবিধা হবে অনেকটাই।
অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের পেনশনভোগীরা ‘পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্প’ (West Bengal Health Scheme)-এর অধীনে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধা লাভ করেন। তাঁদের চিকিৎসা ব্যয়ের অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমাতে, ২ লক্ষ টাকার অতিরিক্ত আরও যে ব্যয় হবে, তার ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হবে।
