AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Nabanna: বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর নিয়ে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের, বিজেপি বলল…

Land to BSF: রাজ্য সরকারকে খোঁচা দিয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে উঠে না। আমি যতদূর জানি, বিএসএফের এক একটা বিওপি করতে ১৫ থেকে ২০ একর জায়গা লাগে। ফলে কতগুলি বিওপি হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যাই হোক, এতদিন সহযোগিতা করবেন না বলছিলেন। এখন ঠেলায় পড়ে গাছে উঠেছেন।"

Nabanna: বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর নিয়ে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের, বিজেপি বলল...
ফাইল ফোটো
| Edited By: | Updated on: Feb 28, 2026 | 11:38 AM
Share
কলকাতা: বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ নিয়ে অনেকদিন ধরেই রাজনৈতিক চাপানউতোর জারি। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্য জমি না দেওয়াতেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যাচ্ছে না। যার জেরে বাড়ছে অনুপ্রবেশ। অন্যদিকে, অনুপ্রবেশ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে নিশানা করে রাজ্যের শাসকদল। এই আবহে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ১০৫ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। ওই জমিতে বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) গড়ে তুলবে। বিএসএফ ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থাকে জমি দেওয়ার প্রস্তাব খতিয়ে দেখতে গঠিত মন্ত্রিগোষ্ঠী শুক্রবার নবান্নে প্রথম বৈঠক করল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত এই মন্ত্রিগোষ্ঠীতে রয়েছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং ভূমি সংস্কার দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে কাঁটাতার বসাতে প্রয়োজন ৬৭ একর জমি। ৯টি বর্ডার আউটপোস্ট নির্মাণে প্রয়োজন ১৮ একর জমি। জমি মালিকদের থেকে ক্রয় করে তা বিএসএফের হাতে তুলে দেবে জেলা প্রশাসন।
গতকাল বিএসএফ-কে জমি দেওয়া নিয়ে আলোচনা হয় মন্ত্রিগোষ্ঠীতে। এবার মন্ত্রিগোষ্ঠীর অনুমোদনের পর প্রস্তাব পাঠানো হবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে। তারপর মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে জমি ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়া, সীমান্তবর্তী ন’টি এলাকায় রাজ্যের অধীনে থাকা প্রায় ২৫ একর জমি হস্তান্তরের প্রস্তাবও মন্ত্রিসভায় তোলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিএসএফকে জমি দেওয়া নিয়ে রাজ্যের উদ্যোগকে খোঁচা দিতে ছাড়ল না গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে উঠে না। আমি যতদূর জানি, বিএসএফের এক একটা বিওপি করতে ১৫ থেকে ২০ একর জায়গা লাগে। ফলে কতগুলি বিওপি হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যাই হোক, এতদিন সহযোগিতা করবেন না বলছিলেন। এখন ঠেলায় পড়ে গাছে উঠেছেন। কারণ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় দেখেছেন, বিচারকরা নথি খতিয়ে দেখতে নেমেছেন।”